শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন




ইরানের পার্লামেন্টে হরমুজ প্রণালী বন্ধের সিদ্ধান্ত

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২২ জুন, ২০২৫ ৮:২৫ pm
China launches military drills in Taiwan Strait তাইওয়ান প্রণালী
file pic

ইরানের সংসদের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের সদস্য মেজর জেনারেল কাউসারি জানিয়েছেন, মজলিসে শুরা-ই ইসলামি (পার্লামেন্ট) হরমুজ প্রণালী বন্ধের বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে। রোববার ইরানের প্রেস টিভির বরাত এ তথ্য প্রকাশ করেছে আল আরাবিয়া।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল (সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ)।

বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়, তাই এটি বন্ধের সিদ্ধান্ত এখনো চূড়ান্ত হয়নি।

এদিকে প্রেস টিভির বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম আল আরাবিয়া জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাসের চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ যে প্রণালী দিয়ে প্রবাহিত হয়, সেই প্রণালীটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

ইরানি আইনপ্রণেতা এবং বিপ্লবী গার্ড কমান্ডার ইসমাইল কোসারি রোববার ইয়ং জার্নালিস্ট ক্লাবকে বলেন, এমন পদক্ষেপের বিষয়টি এজেন্ডায় আছে এবং ‘যখন প্রয়োজন হবে তখনই করা (কার্যকর) হবে’। মার্কিন জ্বালানি তথ্য প্রশাসনের মতে, বিশ্বব্যাপী তেল ব্যবহারের প্রায় ২০ শতাংশ এই প্রণালী দিয়ে সরবরাহ করা হয়।

১৯৮০ থেকে ১৯৮৮ সালের মধ্যে ইরান-ইরাক সংঘাতের সময়, উভয় দেশই উপসাগরে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল যা ট্যাঙ্কার যুদ্ধ নামে পরিচিত, কিন্তু হরমুজ কখনোই সম্পূর্ণরূপে বন্ধ ছিল না।

২০১৯ সালে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের সময় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে তীব্র উত্তেজনার মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা উপকূলের কাছে চারটি জাহাজে হামলা চালানো হয়েছিল। ওয়াশিংটন এই ঘটনার জন্য তেহরানকে দায়ী করে, কিন্তু ইরান অভিযোগ অস্বীকার করেছিল।

সংঘাতের মধ্যে চাপ প্রয়োগের জন্য জাহাজ চলাচলের পথে আক্রমণ দীর্ঘদিন ধরেই হয়ে আসছে। গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে, ইয়েমেনের হুতিরা আরব উপদ্বীপের অপর প্রান্তে লোহিত সাগরের প্রবেশপথ বাব আল-মান্দেব প্রণালীর আশপাশে জাহাজগুলোতে আক্রমণ করে আসছে।

যদিও হুতিদের অভিযান বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যকে প্রভাবিত করেছে, তবুও জাহাজগুলো আফ্রিকার চারপাশে যাত্রা করে লোহিত সাগর এড়াতে পারে – এটি একটি দীর্ঘ কিন্তু নিরাপদ যাত্রা। তবে, হরমুজ অতিক্রম না করে উপসাগর থেকে সমুদ্রপথে কিছু পাঠানোর কোনো উপায় নেই।

এমনকি যেসব দেশ উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে পেট্রোল আমদানি করে না, তাদের ওপরও যদি এই প্রণালী বন্ধ করে দেয়, তাহলে এর প্রভাব পড়বে। কারণ সরবরাহ বড় ধরনের হ্রাস পেলে বিশ্ব বাজারে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম বেড়ে যাবে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD