যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রাহাম-ব্লুমেনথাল নিষেধাজ্ঞা বিলকে সবুজ সংকেত দিয়েছেন। এর ফলে রাশিয়ার তেল বা ইউরেনিয়াম ক্রয় করা দেশগুলোর ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের অনুমতি দেবে। বিলটি মূলত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সামরিক কার্যক্রমকে অর্থনৈতিকভাবে বাধাগ্রস্ত করার উদ্দেশে প্রণয়ন করা হয়েছে।
বিলটি পাশ হলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের অধিকার থাকবে রাশিয়ার তেল, গ্যাস, ইউরেনিয়াম ও অন্যান্য রপ্তানি পণ্য ক্রয়কারী দেশগুলোর ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক ও নিষেধাজ্ঞা আরোপের। এর লক্ষ্য হচ্ছে, রাশিয়ার সামরিক কর্মকাণ্ডের জন্য অর্থসংস্থান বন্ধ করা। রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসি গ্রাহাম জানিয়েছেন, তিনি বুধবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন, যেখানে প্রেসিডেন্ট বিলটির প্রতি সমর্থন জানান।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত হবে, কারণ ইউক্রেন শান্তির জন্য ছাড় দিচ্ছে এবং পুতিন কেবল কথা বলছেন, নিরপরাধদের হত্যা চালিয়ে যাচ্ছেন।’ এই বিল আনুষ্ঠানিক পাস কখন হতে পারে সে বিষয়ে গ্রাহাম বলেন, আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকে ভোট হতে পারে, যদিও এটি কতটা সম্ভব তা স্পষ্ট নয়। সিনেট আগামী সপ্তাহে একটি স্কেল-ব্যাক সরকারি তহবিল প্যাকেজ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত, যা হাউস বর্তমানে বিবেচনা করছে।
এই বিলের অনুমোদন মূলত রাশিয়ার সামরিক আক্রমণ থামানোর উদ্দেশ্যে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করার একটি পদক্ষেপ হিসেবে ধরা হচ্ছে। মার্কিন প্রশাসন একই সময় ইউক্রেনে যুদ্ধ শেষ করার জন্য বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারের নেতৃত্বে শান্তি আলোচনা শেষ করার চেষ্টা চালাচ্ছে।
ভারত সবচেয়ে বেশি তেল কিনে থাকে রাশিয়া থেকে। শুধু তাই নয় রাশিয়া থেকে কম দামে তেল এনে, তা রিফাইনিং করে পশ্চিমা বিশ্বে বিক্রি করারও অভিযোগ রয়েছে নয়াদিল্লির বিরুদ্ধে। ফলে ট্রাম্পের অনুমোদন দেয়া এই বিল পাস হয়ে গেলে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারত।
সূত্র: এনডিটিভি