রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ০২:৪৫ অপরাহ্ন




পাগলা মসজিদের দান বাক্সে মিলল ১৬ কোটি টাকা, রেকর্ড

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬ ১২:৪৩ pm
পাগলা মসজিদ Per capita income মাথাপিছু আয় Reserves Reserve রিজার্ভ remittance রেমিট্যান্স প্রবাসী আয় ডলার dollar Pagla Mosque পাগলা মসজিদ কোটি টাকা Pagla Mosque পাগলা মসজিদ কোটি টাকা Per capita income মাথাপিছু আয় Reserves Reserve রিজার্ভ remittance রেমিট্যান্স প্রবাসী আয় ডলার dollar taka Pagla Mosque পাগলা মসজিদ কোটি টাকা
file pic

কিশোরগঞ্জ শহরের ঐতিহ্যবাহী পাগলা মসজিদের ১৩টি দানবাক্সের ৪৩ বস্তা টাকা গণনা করে এবার পাওয়া গেছে রেকর্ড পরিমাণ ১৫ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার ১৪৬ টাকা। সমুদয় টাকা রুপালী ব্যাংকে মসজিদের হিসাবে জমা করা হয়েছে। রাত পৌনে ৯টা নাগাদ গণনা শেষ হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ আলী হারেছী। তবে এর সঙ্গে বেশ কিছু বিদেশি মুদ্রা এবং সোনা-রূপার অলংকারও পাওয়া গেছে। সেগুলো ট্রেজারিতে জমা রাখা হয়েছে।

এর আগে, সর্বশেষ গত বছর ২৭ ডিসেম্বর খোলা হয়েছিল ১৩টি দানবাক্স। তখন ৩৫ বস্তা টাকা গণনা করে পাওয়া গিয়েছিল ১১ কোটি ৭৮ লাখ ৪৮ হাজার ৫৩৮ টাকা। জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন জানিয়েছেন, শনিবারের টাকা ছাড়াই ব্যাংকে জমা আছে ১১৪ কোটি ১৩ লাখ ৭ হাজার ৩৫২ টাকা।

গতকাল সকাল ৭টায় জেলা প্রশাসক মসজিদ কমিটির সভাপতি সোহানা নাসরিন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. নাজমুস সাকিব খানের উপস্থিতিতে খোলা হয় ১৩টি দানবাক্স। এরপর ৪৩টি বস্তায় ভরে সমুদয় টাকা মসজিদের দ্বিতীয় তলায় নিয়ে চার শতাধিক জনবল দিয়ে গণনা শুরু করা হয়। দেশি মুদ্রার পাশাপাশি পাওয়া যায় বেশ কিছু বিদেশি মুদ্রা ও সোনা-রূপার অলংকার। ছিল বিভিন্ন মানুষের মনোবাঞ্ছা পূরণের আকুতি লেখা প্রচুর চিঠি আর চিরকুটও। দানবাক্স খোলার নিয়ম প্রতি তিন মাস অন্তর। সর্বশেষ গত বছর ২৭ ডিসেম্বর খোলা হয়েছিল ১৩টি দানবাক্স। কিন্তু জাতীয় নির্বাচন, বন্যাসহ নানা কারণে এবার খোলা হয়েছে ছয় মাস পর।

পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্স মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্র, শহরের আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ও রুপালী ব্যাংকের স্টাফ মিলে চার শতাধিক মানুষ টাকা গণনায় অংশ নিয়েছিলেন। এরা টাকাগুলো মুদ্রামান অনুযায়ী আলাদা করার পর ব্যাংকের গণনা মেশিনে গণনা করে বান্ডেল বাঁধা হয়। নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন বিপুলসংখ্যক পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার।

দানবাক্সের বাইরেও মানতকারীরা বিভিন্ন জাতের গবাদি পশু, হাঁস-মুরগি, কবুতর, দুধ এবং সবজিও দান করে থাকেন। এগুলো প্রতিদিন বিকেলে উন্মুক্ত নিলামে বিক্রি করে মসজিদের ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হয়। এছাড়া বিদেশি মুদ্রা ও গহনাগুলো ট্রেজারিতে জমা আছে। সেগুলো এক সময় উন্মুক্ত নিলামে বিক্রি হবে। দানের টাকার লভ্যাংশ থেকে মসজিদের রক্ষণাবেক্ষণ, আনসারদের বেতন, অতি দরিদ্র জটিল রোগীদের অনুদানসহ আনুষঙ্গিক খরচ বহন করা হয়। দানের টাকা দিয়ে এখানে একটি ১০তলা মাল্টিপারপাস মসজিদ ও ইসলামী কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিন।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD