ঢাকায় আঘাত হেনেছে মধ্যম মাত্রার একটি ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক তিন। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।
গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অ্যালার্ট সিস্টেমের তথ্য বলছে, রিখটার স্কেলে কম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক তিন। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভারতের মেঘালয়ের রেসুবেলপাড়া থেকে তিন কিলোমিটার দূরে। বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও নেপাল, ভূটান এবং চীনেও অনুভূত হয়েছে এর কম্পন।
ইউরোপিয়ান মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টারও (ইএমএসসি) বলছে, এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.৩। ভূ-পৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ২৩ কিলোমিটার। তবে তারা উৎপত্তিস্তল জানিয়েছে, ভারতের আসাম।
এদিকে কেঁপে উঠল মালদহ, কোচবিহারের মতো জেলার মাটি। আতঙ্ক ছড়ালো সাধারণ মানুষের মধ্যে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে নাগাদ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে কোচবিহার জেলার মাটি। প্রথমে হালকা একটা ঝাঁকুনি তার পর মৃদু কম্পন অনুভূত হয় জেলা জুড়েই। কোচবিহারের দিনহাটা, মাথাভাঙা, তুফানগঞ্জ, শীতলখুচি- সব জায়গাতেই কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা। মালদহের মানুষজনও জানাচ্ছেন, কয়েক সেকেন্ড কম্পন অনুভব করেছেন তাঁরা।
কম্পন অনুভূত হয়েছে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, দুই দিনাজপুর, মালদহের বিস্তীর্ণ অংশে। এছাড়া অরুণাচলপ্রদেশ, ত্রিপুরা, ভুটানেও কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে খবর।
সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিট নাগাদ ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, ভূটান এবং চিনে বিভিন্ন মাত্রায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়। কিছু কিছু জায়গায় রিখটার স্কেলে কম্পন মাত্রা ছিল ৫.৩। মেঘালয় রাজ্যেও জোরালো কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের উৎসস্থল মেঘালয়েরই রেসুবেলপাড়ার আশপাশে বলে জানা যাচ্ছে। কম্পন অনুভূত হয়েছে অসমেও। যদিও কোনও জায়গাতেই এখনও পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর মেলেনি।
বস্তুত, রবিবার রাতেও দেশের একাধিক স্থানে কম্পন অনুভূত হয়। রবিবার রাত ১১টা ২৬ মিনিটে হরিয়ানায় ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে কম্পন মাত্রা ছিল ২.৬। ওই ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল হরিয়ানার রোহতক থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে।