মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৩৩ অপরাহ্ন




বিবাহিত নারী-পুরুষের ব্যভিচারের শাস্তি

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০২৪ ৭:০০ pm
পাত্রী বোরকা হিজাব মুসলিম muslim girl girls বিয়ে-শাদী বিয়ে শাদী নিকাহ তালাক নিবন্ধন রেজিস্ট্রার কাজী লাইসেন্স মুসলিম বিবাহ মুসলিম ম্যারেজেস অ্যান্ড ডিভোর্সেস রেজিস্ট্রেশন couple husband wife woman female partner marriage divorce widow spouse bride married relationship groom bridegroom বর মহিলা বউ স্বামী স্ত্রী স্বামী-স্ত্রী দাম্পত্য দম্পতি H-WH-W বিয়ে Rape ধর্ষণ রেপ যৌন নিগ্রহ নির্যাতন Homosexuality sexual sex সমলিঙ্গ পুরুষ নারী উভকামী রুপান্তরিত লিঙ্গ সমকামিতা পাত্রী মুসলিম muslim girl girls Rape ধর্ষণ রেপ যৌন নিগ্রহ নির্যাতন Homosexuality sexual sex সমলিঙ্গ পুরুষ নারী উভকামী রুপান্তরিত লিঙ্গ সমকামিতা বিয়ে-শাদী বিয়ে শাদী নিকাহ তালাক নিবন্ধন রেজিস্ট্রার কাজী লাইসেন্স মুসলিম বিবাহ মুসলিম ম্যারেজেস অ্যান্ড ডিভোর্সেস রেজিস্ট্রেশন couple husband wife woman female partner marriage divorce widow spouse bride married relationship groom bridegroom বর মহিলা বউ স্বামী স্ত্রী স্বামী-স্ত্রী দাম্পত্য দম্পতি বিয়ে
file pic

ব্যভিচার বড় মারাত্মক অপরাধ। মানবসমাজে যেমন একে অপরাধ বলে সাব্যস্ত করা হয় তেমনি ইসলামী শরিয়তেও। ব্যভিচারীর শাস্তি খুবই ভয়াবহ। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে ইরশাদ করেন-‘আর যিনা-ব্যভিচারের কাছেও যেও না, তা হচ্ছে অশ্লীল কাজ আর অতি জঘন্য পথ।’ (সূরা বনি ইসরাইল-৩২) এমন নিষেধাজ্ঞার পরও যারা তাতে লিপ্ত হয় তারা কেবল নিজেদের ধ্বংসই টেনে আনে। ইসলামী শরিয়তে বিবাহিত কোনো নর-নারী পরস্পর ব্যভিচারে লিপ্ত হলে এর শাস্তি হচ্ছে প্রস্তরাঘাতে হত্যা করা।

হজরত উবাদা ইবনুস সামিত রা: থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সা: বললেন, ‘তোমরা আমার কাছ থেকে (দ্বীনের বিধান) শিখে নাও। আল্লাহ তাদের (মহিলাদের) জন্য একটি পথের সুযোগ করে দিয়েছেন। যদি অবিবাহিত পুরুষ অবিবাহিত নারীর সাথে যিনা করে তবে তাদের প্রত্যেককে এক বছরের নির্বাসনসহ ১০০ বেত্রাঘাত করতে হবে। আর যদি বিবাহিত পুরুষ বিবাহিত নারীর সাথে যিনা করে তবে তাদের প্রত্যেককে ১০০ বেত্রাঘাত এবং রজম (প্রস্তরাঘাতে হত্যা) করতে হবে। (ইবনে মাজাহ-২৫৫০)

এই হাদিসে বিবাহিত পুরুষ ও মহিলাকে ১০০টি বেত্রাঘাত করার কথা থাকলেও তা করতে হবে না। কারণ, রাসূল সা: মায়িজ ও গামিদি মহিলাকে ১০০টি করে বেত্রাঘাত করেননি; বরং অন্য হাদিসে তাদের শুধু রজম করারই প্রমাণ পাওয়া যায়। আরেকটি কথা হচ্ছে, শরিয়তের সাধারণ নিয়ম হলো- কারোর ওপর কয়েকটি দণ্ডবিধি একত্রিত হলে এবং তার মধ্যে হত্যার বিধানও থাকলে তাকে শুধু হত্যাই করা হয়। অন্যগুলো করা হয় না। হজরত উমর ও উসমান রা: এটির ওপরই আমল করেছেন এবং হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা: থেকেও তা বর্ণিত হয়েছে।

ইবনে আব্বাস রা: থেকে বর্ণিত- তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব রা: বললেন, আমি আশঙ্কা করছি যে, দীর্ঘকাল অতিবাহিত হওয়ার পর কেউ বলে বসবে, আমি আল্লাহর কিতাবে রজমের কথা পাচ্ছি না। ফলে সে আল্লাহর ফরজগুলোর মধ্যকার একটি ফরজ ত্যাগ করার কারণে পথভ্রষ্ট হবে। সাবধান! রজম (প্রস্তরাঘাতে হত্যা) করা বাধ্যতামূলক-অপরাধী বিবাহিত হলে এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে অথবা গর্ভসঞ্চার হলে অথবা স্বীকারোক্তি করলে। এরপর আমি রজমের এ আয়াত পাঠ করি, ‘বৃদ্ধ ও বৃদ্ধা যিনায় লিপ্ত হলে তোমরা তাদের উভয়কে রজম করো। রাসূল সা: রজম করেছেন এবং তাঁর পরে আমরাও রজম করেছি। (বুখারি-৬৮২৯, মুসলিম-১৬৯১)

আবু উমামা ইবনে সাহল ইবনে হুনাইফ রা: থেকে বর্ণিত- হজরত উসমান ইবনে আফফান রা: (ছাদের) উপর থেকে বিদ্রোহীদের প্রতি তাকালেন। হত্যার ব্যাপারে আলোচনা করতে শুনে তিনি বললেন, তারা আমাকে হত্যার সংকল্প করছে। কেন তারা আমাকে হত্যা করবে? আমি রাসূল সা:-কে বলতে শুনেছি, তিনটি কারণের কোনো একটি বিদ্যমান না থাকলে কোনো মুসলিমকে হত্যা করা বৈধ নয়। বিবাহিত ব্যক্তি যিনা করলে, তাকে রজম (প্রস্তরাঘাতে হত্যা) করা অথবা যে ব্যক্তি কাউকে অন্যায়ভাবে হত্যা করে অথবা যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণের পর মুরতাদ হয়ে যায়। আল্লাহর কসম! আমি জাহিলি যুগেও কখনো যিনা করিনি এবং ইসলামী যুগেও না, আমি কোনো মুসলিমকে হত্যা করিনি এবং আমি ইসলাম গ্রহণ করার পর থেকে মুরতাদ হইনি। (ইবনে মাজাহ-২৫৩৩)

লেখক: নাঈমুল হাসান তানযীম, প্রবন্ধকার




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD