মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন জোরপূর্বক শ্রম (ফোর্সড লেবার) ইস্যুতে ৬০টি দেশের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ বা ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি দপ্তর (ইউএসটিআর) এই প্রস্তাব প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির দাবি, এসব দেশ জোরপূর্বক শ্রম রোধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যে বাধা সৃষ্টি করছে এবং মার্কিন শ্রমিকদের জন্য অসম প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরি করছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান ও যুক্তরাজ্যের পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হতে পারে। বাকি ৪৫টি দেশের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত শুল্ক হার ১২ দশমিক ৫ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিয়েসন গ্রিয়ার বলেন, জোরপূর্বক শ্রমে উৎপাদিত পণ্যের প্রবেশ ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এতে মার্কিন শ্রমিকরা বৈশ্বিক বাজারে অসাম্য প্রতিযোগিতার মুখে পড়ছে।
ইউএসটিআর আরও জানিয়েছে, নির্দিষ্ট কিছু পোশাক ও বস্ত্রপণ্যের ক্ষেত্রে সীমিত পরিমাণে কম শুল্কে প্রবেশের বিশেষ ব্যবস্থা রাখার প্রস্তাবও রয়েছে, যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত এখনও জানানো হয়নি।
এই পদক্ষেপ এমন সময় সামনে এলো যখন ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত সাময়িক শুল্কের মেয়াদ আগামী ২৪ জুলাই শেষ হওয়ার কথা। এর আগে সুপ্রিম কোর্ট জরুরি ক্ষমতার আওতায় আরোপিত একাধিক শুল্ক বাতিল করার পর নতুন আইনি কাঠামোর মাধ্যমে শুল্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে।