বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন




ব্যাংক খাতে উদ্বৃত্ত তারল্য বেড়ে সাড়ে চার লাখ কোটি টাকা

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:০৫ pm
ঋণ money laundering illegal process money generated criminal drug trafficking terrorist funding illegally concealing illicit drug trafficking corruption embezzlement gambling converting legitimate source crime jurisdictions আমদানি ওভার ইনভয়েসিং রপ্তানি আন্ডার-ইনভয়েসিং আমদানি-রপ্তানি অবৈধ জাল অর্থ পাচার জিএফআই মানি লন্ডারিং আর্থিক খাত গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট বিএফআইইউ হুন্ডি অর্থ পাচার সরকার ছিনতাই Per capita income মাথাপিছু আয় Reserves Reserve রিজার্ভ remittance রেমিট্যান্স প্রবাসী আয় ডলার dollar Pagla Mosque পাগলা মসজিদ কোটি টাকা Pagla Mosque পাগলা মসজিদ কোটি টাকা taka taka
file pic

বিনিয়োগ চাহিদা কম থাকায় ব্যাংক খাতের উদ্বৃত্ত তারল্য ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। গত আগস্ট শেষে উদ্বৃত্ত তারল্য আরও বেড়ে প্রায় সাড়ে চার লাখ কোটি টাকা হয়েছে। গত জুন শেষে প্রথমবারের মতো যা চার লাখ কোটি টাকা ছাড়ায়। এই অর্থের বড় অংশই ট্রেজারি বিল ও বন্ডের মাধ্যমে সরকারকে ঋণ দেওয়ার চেষ্টা করছে ব্যাংকগুলো।

উদ্বৃত্ত তারল্য মানেই অলস অর্থ নয়। আমানত থেকে কোনো ব্যাংকের বিধিবদ্ধ তারল্য অনুপাত (এসএলআর) সংরক্ষণের পর বাকি অর্থ উদ্বৃত্ত তারল্য হিসেবে বিবেচিত। বর্তমানে প্রচলিত ধারার একটি ব্যাংকের মোট আমানতের ১৩ শতাংশ এবং শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের ৪ শতাংশ এসএলআর রাখতে হয়। বিল ও বন্ডে বিনিয়োগের বিপরীতে যা রাখার সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া দুই ধরনের ব্যাংকের নগদ জমা অনুপাত (সিআরআর) রাখতে হয় আরও ৪ শতাংশ।

ব্যাংকাররা জানান, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কারণে এখন আশানুরূপ বিনিয়োগ হচ্ছে না। আবার খেলাপি ঋণ কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চাপের কারণে ঋণ বিতরণে সতর্কতা দেখাচ্ছে ভালো ব্যাংকগুলো। যে কারণে বেসরকারি খাতে বার্ষিক ঋণপ্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশে নেমেছে, যা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে কম। এ সময়ে ঝুঁকিমুক্ত বিবেচনায় ট্রেজারি বিল ও বন্ডে ঋণ দেওয়ায় বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে ব্যাংকগুলো। যে কারণে দীর্ঘদিন দুই অঙ্কে থাকা বিল ও বন্ডের সুদহার অনেক কমেছে।

ব্যাংকাররা আরও জানিয়েছেন, কয়েকটি ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে আমানত ফেরত দিতে না পারায় মানুষের হাতে টাকা রাখার প্রবণতা ব্যাপক বেড়ে যায়। এখন আবার ঘরের টাকা ব্যাংকে ফিরছে। তবে এই অর্থ আসছে হাতেগোনা কয়েকটি ব্যাংকে। ভালো ব্যাংকগুলো তুলনামূলক কম সুদ দিলেও যথাসময়ে টাকা ফেরতের প্রত্যাশা থেকে সেখানেই রাখছে বেশির ভাগ মানুষ। তবে গ্রাহকের স্বর্থে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি ঋণ ও আমানতে মধ্যেকার সুদহারের সর্বোচ্চ ব্যবধান (স্প্রেড) ৪ শতাংশ নির্ধারণ করে দিয়েছে। যদিও অনেক ব্যাংক এই নির্দেশনা পালন করছে না। তারা এ ক্ষেত্রে প্রচলিত হিসাব পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনার বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনা করছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত আগস্ট শেষে ব্যাংক খাতের উদ্বৃত্ত তারল্য দাঁড়িয়েছে চার লাখ ৪১ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা। আগের মাস জুলাই শেষে যা ছিল চার লাখ ২৩ হাজার ৯৫ কোটি টাকা। গত জুনে ছিল চার লাখ ১৪ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা। গত বছরের ডিসেম্বর শেষে উদ্বৃত্ত তারল্য ছিল তিন লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা। গত বছরের জুন শেষে ছিল দুই লাখ ৮৩ হাজার ৬৪০ কোটি টাকা। ২০২৪ সালের জুন শেষে এর পরিমাণ ছিল এক লাখ ৯৩ হাজার ৯৬৪ কোটি টাকা।

পরিসংখ্যান বলছে, কম সুদের ঋণেও আগ্রহ দেখাচ্ছেন না ব্যাংকাররা। ব্যবসা-বাণিজ্য চাঙ্গা করতে কম সুদে ঋণ দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক গত মে মাসে ৬০ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে। এ তহবিল থেকে গত ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিতরণ হয়েছে মাত্র ১১ হাজার ৯৬০ কোটি টাকা। এই প্যাকেজের আওতায় বন্ধ শিল্প ও সেবা খাতের ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল থেকে এ পর্যন্ত বিতরণ হয়েছে মাত্র ৫৬১ কোটি টাকা। গ্রামীণ অর্থনৈতিক কাজে গতিশীলতা আনা, বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান, সবুজ কারখানা রূপান্তর, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা রপ্তানি এবং হিমায়িত চিংড়ি এসব খাতের ১০ হাজার টাকার তহবিল থেকে এক টাকাও বিতরণ হয়নি। সমকাল




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD