মহান বিজয় দিবস ১৬ ডিসেম্বর সমাগত। আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সবচেয়ে গৌরবের দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে আমরা চ‚ড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছিলাম। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এই দিন নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।
মহান বিজয়ের ৫১-তম বার্ষিকীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় চার নেতা-সর্বজনাব সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম. মনসুর আলী, এএইচএম কামারুজ্জামান-৩০ লক্ষাধিক প্রাণ আর ২ লক্ষাাধিক মা-বোনের আত্মত্যাগকে
বদলে গেছে কাতার। কিন্তু কীভাবে বদলালো ছোট্ট এই দেশটি। যার সঙ্গে শুধু আমেরিকার হাওয়াই-এর তুলনা করা যায়। জনসংখ্যা মাত্র ২৯ লাখ। এরমধ্যে বেশির ভাগই বিদেশি। আগে রাজধানী ছিল আল বিদা।
জীবন হরেক রকম দৃশ্য তৈরি করে। রাজনীতিও তাই। সামনের দিনে রাজনীতিতে নানা রকম দৃশ্য তৈরি হবে। এরইমধ্যে তার আলামত স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। তবে সেটি টাইব্রেকার বা শ্বাসরুদ্ধকর পর্যায়ে চলে
মাফ করবেন। আমার এই লেখাটি অনেকের হয়তো পছন্দ নাও হতে পারে। তবে কারও না কারও পছন্দ হবেই। সেই ভরসায় লেখার সাহস করছি। তার আগে একটি ছোট্ট প্রশ্ন করতে চাই। আপনার
কিলিয়ান এমবাপ্পে। বয়স মাত্র তেইশ। জন্ম প্যারিসে। মা ফাইজা লামারি, বাবা উইলফ্রাইড এমবাপ্পে। দু’জন দুই ধর্মে বিশ্বাসী। তবে এমবাপ্পে বাবার ধর্মই অনুসরণ করেন। মজার ব্যাপার হচ্ছে, বাবা-মা দুই দেশের নাগরিক
অনেকে দিয়েগো ম্যারাডোনার সঙ্গে মেসির তুলনা করছেন। বলছেন, মেসি ম্যারাডোনাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এভাবেই দেখতে চাচ্ছে। বাস্তব অবস্থা কি তাই? হয়তো অনেকটাই সত্য। কিন্তু ম্যারাডোনা ম্যারাডোনাই। বিশ্বকাপে বেশি গোল
আজ থেকে শুরু হচ্ছে বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। বহু প্রাণ আর রক্তের বিনিময়ে এই মাসেই অর্জিত হয়েছিল চূড়ান্ত বিজয়। বিজয়ের এই মাসে বিজয় দিবসকে ঘিরে নানা আয়োজন থাকে সারা দেশেই। উৎসবের
করোনাজনিত অচলাবস্থা থেকে উত্তরণ শুরু করতে না করতেই রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক সাপ্লাই চেইনে ধস নামার ফলে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি যে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে তা এখন সবারই জানা। বৈশ্বিক
দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হয় ২০২০ সালের মার্চে। লকডাউনে স্থবির হয়ে যায় গোটা দেশ। এ সময় অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখতে নানা ধরনের ছাড় দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রণোদনার