আগামী ২০ ডিসেম্বর থেকে দেশে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়া শুরু হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে অন্যান্য ডোজের ন্যায় চতুর্থ ডোজ আপাতত গণহারে দেওয়া হচ্ছে না। প্রথম ধাপে
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে প্রথমে করোনাভাইরাসের উৎপত্তি ঘটে। বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছে এই প্রাণঘাতী ভাইরাস। চীনে করোনার প্রকোপ অনেকটা কমে এলেও নতুন করে আবারও বাড়ছে সংক্রমণ। এমন পরিস্থিতি নিয়ে
২০০০ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার ডেঙ্গুর রেকর্ড রাখা শুরু করে। এরপর থেকে দ্বিতীয়বারের মতো চলতি বছর দেশে ডেঙ্গু শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৬০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, ২০২২ সালে
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১ দশমিক ৮২ শতাংশ। এ সময় করোনায় আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। রোববার (১১ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন ১২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে। শুক্রবার সকাল ৯টায় তাপমাত্রা রেকর্ড হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রেকর্ড করা হয়েছিল ১২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা। ফলে শীতে
গত ২৪ ঘন্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছর এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ২৬৩ জন।গতকাল থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন
গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ২৫৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। সংক্রমণ কমেছে দশমিক ৫৯ শতাংশ। বুধবার শনাক্তের হার ছিল দশমিক ৯৯ শতাংশ। আজ কমে হয়েছে
গেলো আগস্ট মাসেই অনিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার আগে চিকিৎসকদের সতর্ক করেছিল স্বাস্থ্য অধিদফতর। অনিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানে কাজ করলে তার দায়ভার চিকিৎসককেই নিতে হবে বলে জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর।
দেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু হয়নি। তবে একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৩০৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ১৭২ জন এবং ঢাকার
দেশে একদিনে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় ২৬ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে।সোমবার (৫ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো