ইসরায়েলি হামলার মধ্যে নিরাপত্তা শঙ্কায় তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং নাগরিকদের সরিয়ে নিচ্ছে সরকার। ইরানের তেহরানে প্রায় ৪০০ বাংলাদেশি অবস্থান করছেন। এদের মধ্যে প্রায় ১০০ প্রবাসী বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ
ইরানে কর্মরত বাংলাদেশিরা মোটামুটি নিরাপদ। তবে ইসরাইলি আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু তথা টার্গেটের মধ্যে পড়ে গেছে তেহরানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের চ্যান্সারি কমপ্লেক্স। অন্তর্বর্তী সরকারের বিবেচনায় পাঠানো দূতাবাসের একটি রিপোর্ট হাতে পেয়েছে মানবজমিন। রিপোর্টে
ইরানের সরকার পরিবর্তনের প্রচেষ্টা নিয়ে সতর্ক করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাঁক্রো। তিনি বলেছেন, তেহরানে সরকার উৎখাতের চেষ্টা হবে একটি কৌশলগত ভুল। খবর আল জাজিরা সোমবার (১৬ জুন) কানাডায় জি-৭ সম্মেলনে
ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোয় ইসরায়েলি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে জরুরি বৈঠকে বসছে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) বোর্ড অব গভর্নরস। আজ সোমবার আইএইএর সদর দপ্তরে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। রাশিয়া, চীন ও
পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) থেকে বেরিয়ে যেতে ইরানের পার্লামেন্টে একটি বিল উত্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাঈল বাকাই। তবে ব্যাপক বিধ্বংসী অস্ত্র তৈরির ব্যাপারে
ইসরায়েলের হামলায় জ্বলছে তেহরানের একটি তেল শোধনাগার/ সংগৃহীত ছবি তেহরানের বাংলাদেশ দূতাবাসে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য হটলাইন চালু করা হয়েছে। রোববার (১৫ জুন) তেহরান দূতাবাস এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
চার দিনের সফরে রোববার (১৫ জুন) ঢাকায় এসেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের দুই সদস্য। এটি সংস্থাটির কোনো সদস্যের প্রথম বাংলাদেশ সফর। ঢাকার একটি কূটনৈতিক সূত্র গুমবিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের
ইরান ও ইসরাইলের সংঘর্ষে নতুন করে উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ইরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ, হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি দিয়েছে। ইতিমধ্যেই এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে
ইরানে নজিরবিহীন ইসরায়েলি হামলার পর পাল্টা জবাব দিচ্ছে তেহরান। হামলার তীব্রতাও বাড়ছে। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি মোকাবিলার লক্ষ্যে পরিকল্পিতভাবে ঘরবাড়ি ও স্থাপনা নির্মাণ এবং আগাম সতর্কতার কারণে ইসরায়েলে প্রাণহানি কম হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে শহর ও নগরগুলোতে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। ‘নো কিংস’ নামের একটি গোষ্ঠী এ বিক্ষোভ সংগঠিত করেছে। ট্রাম্পের উদ্যোগে রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে অনুষ্ঠিত এক বিরল সামরিক প্যারেডের বিরোধিতা করে