ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে ভারত। তবে এই যুদ্ধবিরতিতে পাকিস্তান যে ভূমিকা পালন করেছে সে সম্পর্কে কোনো উল্লেখ করেনি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ভারতের তরফে
যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করতে ইরানের প্রতিনিধি দলের পাকিস্তানে পৌঁছানোর খবর মিথ্যা বলে দাবি করেছে ইরানি সংবাদমাধ্যম। একটি সূত্রের বরাত দিয়ে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তার অনুরোধে লেবাননে হামলা কমাতে রাজি হয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এনবিসি নিউজকে দেওয়া এক সংক্ষিপ্ত টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি নেতানিয়াহুর
দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর সীমিত পরিসরে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে দিনে সর্বোচ্চ ১৫টি জাহাজ চলাচল করতে পারবে বলে জানিয়েছে দেশটি। ইরান বলেছে,
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবানন ইস্যুতে ফের নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইসরাইলের অব্যাহত হামলায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানির পর এবার সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ কারণেই ইরানের সঙ্গে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি করাতে পাকিস্তানকে চাপ দেয় ওয়াশিংটন। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে
পাকিস্তান নিজেকে শান্তির মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও, আসলে হোয়াইট হাউসই ইসলামাবাদকে ইরানের সঙ্গে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি করাতে চাপ দিয়েছিল। এমনটাই জানিয়েছে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস। এতে বলা হয়, ইসলামাবাদ নিরপেক্ষ
টানা ৪০ দিন বন্ধ থাকার পর পবিত্র আল-আকসা মসজিদ পুনরায় খুলে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে মসজিদটি খুলে দিলে এতে মুসুল্লিদের ঢল নামে। দখলদার ইসরাইলের নানান বাঁধা সত্ত্বেও প্রায় ৩ হাজার
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আবারও উন্মুক্ত হতে যাচ্ছে। একই সঙ্গে অভিবাসন ব্যয় কমিয়ে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে একমত হয়েছে উভয় দেশ। দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের
বিশ্বব্যাংক মনে করে, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে চলতি বছর বাংলাদেশে প্রায় ১২ লাখ গরিব মানুষ বাড়তে পারে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে তাদের প্রকৃত আয় কমতে পারে। তারা দারিদ্র্য সীমার ওপরে উঠতে পারবে