ইরানে বিক্ষোভকারীদের কঠোরভাবে দমন করায় দেশটিতে হামলার ব্যাপারে ‘সিরিয়াসলি’ (গুরুত্বের সঙ্গে) ভাবছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস রোববার (১১ জানুয়ারি) জানিয়েছে, ইরানে কীভাবে হামলা করা যায় এ ব্যাপারে
বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে ইরানের নিরাপত্তাবাহিনী। বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে ছোড়া হচ্ছে তাজা গুলি। এতে গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ সংখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র গ্রিনল্যান্ড চায় এবং তারা কোনো না কোনোভাবে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে রুশ সংবাদসংস্থা তাস। তেল শিল্পের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে
ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে চাপ প্রয়োগের অংশ হিসেবে নিষেধাজ্ঞার আওতাধীন তেলবাহী জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। তারই ধারাবাহিকতায় উত্তর আটলান্টিক সাগরে রাশিয়ার পতাকাবাহী তেলের ট্যাংকারের পর এবার ক্যারিবিয়ান সাগরে আরও এক
গাজায় যেভাবে গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরাইল, এরফলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ‘সবচেয়ে বড় মানবতাবিরোধী অপরাধী’ অভিহিত করে তাকে অপহরণ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। বৃহস্পতিবার জিও নিউজের
সরকারবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল ইরান। দেশটির রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন জায়গায় দুই রাত ধরে তীব্র আন্দোলন হয়েছে। এরমধ্যে তেহরানের একটি মসজিদে আগুন ও ১৯৭৯ সালের বিপ্লব পূর্ববর্তী সময়ের পতাকা উড়িয়েছে বিক্ষোভকারীরা। যুক্তরাষ্ট্রের
ইরানে অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া চলমান বিক্ষোভে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৯টি শিশু রয়েছে। শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস অর্গানাইজেশন এ তথ্য
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৭ সালের সামরিক বাজেটের জন্য ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের একটি উচ্চাভিলাষী প্রস্তাব পেশ করেছেন। এটি ২০২৬ সালের জন্য অনুমোদিত ৯০১ বিলিয়ন ডলারের বাজেটের তুলনায় প্রায় ৬৬ শতাংশ
যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় চালানো ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১৪ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পাঁচটিই শিশু। চিকিৎসা সূত্রের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের পর বিশ্বজুড়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগ্রাসী নীতি অনুসরণ করছেন- এ প্রসঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক আইন প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার এই নীতিগুলোকে কেবল তার ‘ওন