শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন




দেশে সাক্ষরতার হার কত?

দেশে সাক্ষরতার হার ৭৬.৮ শতাংশ

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১২:৫৯ pm
Literacy Literate Signature সাক্ষর স্বাক্ষর স্বাক্ষরতাসাক্ষরতা
file pic

দেশে সাক্ষরতার হার ৭৬.৮ শতাংশ বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন। তিনি বলেন, নানামুখী কর্মসূচির কারণে আগের তুলনায় সাক্ষরতার হার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে এখনো ২৩.২ শতাংশ জনগোষ্ঠী নিরক্ষর। শতভাগ জনগোষ্ঠীকে সাক্ষরজ্ঞান করে তুলতে সরকারের নিরলস প্রয়াস অব্যাহত আছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, সাক্ষরতা অর্জনের মাধ্যমে মানুষের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়, মানুষ সচেতন হয়, স্বনির্ভর হয়, দেশে জন্মহার এবং শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাস পায়, স্বাস্থ্য সূচকের উন্নয়ন ঘটে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটে। সর্বোপরি পরিবার, একটি সুখী-সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ বিনির্মাণে সাক্ষরতার কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘রিপোর্ট অন বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিস্টিক ২০২২’ সর্বশেষ সাত বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সের বর্তমান সাক্ষরতার হার ৭৬.০৮ শতাংশ।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ। শুক্রবার বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত হতে যাচ্ছে। ইউনেস্কো ঘোষিত দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘পরিবর্তনশীল ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সাক্ষরতার প্রসার’।

দেশের খুদে শিক্ষার্থীদের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৩৯টি। যার মধ্যে সরকারি ৬৫ হাজার ৫৬৬টি।

বাকিগুলো কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি বিদ্যালয়। কিন্তু বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোর বেশির ভাগেরই নিবন্ধন নেই। নিজেদের ইচ্ছামতো তারা চলছে। আগে একটি বিধিমালা থাকলেও সেটি বাস্তবে কাজে দেয়নি। এখন সে বিধিমালাকে আরও যুগোপযোগী করে বাস্তবায়ন করার কথা জানায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব ফরিদ আহাম্মদ। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে বিধিমালাটি আইন মন্ত্রণালয় থেকে আইনি যাচাই বাছাই (ভেটিং) করে তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই এটি জারি করা হবে। সচিব বলেন, ২০১১ সালের বিধিমালা থাকা সত্ত্বেও প্রায় ৯০ ভাগ বেসরকারি বিদ্যালয় নিবন্ধন ও একাডেমিক স্বীকৃতি ছাড়াই এখনো চলছে। এখন সংশোধিত বিধিমালা জারি করা হবে। ফলে বেসরকারি পর্যায়ের ইংরেজি মাধ্যম বাদে বাকি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো (কিন্ডারগার্টেনসহ) নিয়মনীতির আওতায় আসবে। নিবন্ধন ও একাডেমিক স্বীকৃতি ছাড়া এগুলো চলবে না।

ফরিদ আহাম্মদ বলেন, আমরা চাইবো ২০২৪ সালের ১লা জানুয়ারির পর থেকে যেন একাডেমিক স্বীকৃতিবিহীন ও নিবন্ধনবিহীন কোনো বেসরকারি বিদ্যালয় না চলে। একাডেমিক স্বীকৃতির জন্য উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ৩০ দিনের মধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন দেবেন। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে একাডেমিক স্বীকৃতির সিদ্ধান্ত দেবেন। নিবন্ধন ফি ২০১১ সালের বিধিমালা অনুযায়ীই রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সচিব বলেন, বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) বইগুলো বাধ্যতামূলকভাবে পড়াতে হবে। এর বাইরেও বই পড়ানো যাবে। তবে যদি কোনো বই পড়াতে চায় তাহলে সেটি সরকারকে জানাতে হবে। তাতে সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। তবে বেসরকারি হওয়ায় কতো টাকা বেতন (টিউশন ফি) নেয়া হবে সেটি সরকার নির্ধারণ করে দেবে না। কিন্তু কতো টাকা নেয়া হচ্ছে তা নির্ধারিত ফরমে সরকারকে জানাতে হবে। তখন সরকার বিবেচনা করবে সেটি যৌক্তিক না অযৌক্তিক।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD