শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন




যুদ্ধবিরতির আগেও ২৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করল ইসরায়েল

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০২৫ ১২:০৯ pm
গাজা হামলা Flag Israel ইসরায়েল জেরুজালেম israyel israil netaniyahu নেতানিয়াহু ইসরাইল Map of Palestine Jerusalem israel palestine gaja gaza Flag hamas ফিলিস্তিন পতাকা হামাস গাজা গাযা Al-Aqsa masjid আল আকসা মসজিদ মুকাদ্দাসAl-Aqsa masjid আল-আকসায় ক্ষেপণাস্ত্র গাজা hamas গাজা হামলা Flag Israel ইসরায়েল জেরুজালেম israyel israil netaniyahu নেতানিয়াহু ইসরাইল Map of Palestine Jerusalem israel palestine gaja gaza Flag hamas ফিলিস্তিন পতাকা হামাস গাজা গাযা Al-Aqsa masjid আল আকসা মসজিদ মুকাদ্দাসAl-Aqsa masjid আল-আকসায় ক্ষেপণাস্ত্র গাজা গাজা ফিলিস্তিনি- ইসরাইলি file pic
file pic

আজ রোববার সকাল থেকে ফিলিস্তিনের গাজায় কার্যকর হতে যাচ্ছে বহুলাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধবিরতি চুক্তি। তবে এই যুদ্ধবিরতির আগেও গাজায় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে বর্বর ইসরায়েল। হামলায় আরও ২৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

এতে করে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা প্রায় ৪৭ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও লক্ষাধিক ফিলিস্তিনি।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের চলমান হামলায় কমপক্ষে আরও ২৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এতে করে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬ হাজার ৮৯৯ জনে পৌঁছেছে। চলমান এই হামলায় আরও অন্তত এক লাখ ১০ হাজার ৭২৫ জন ব্যক্তিও আহত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় আরও ২৩ জন নিহত এবং ৮৩ জন আহত হয়েছেন।অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না। বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও ১০ হাজারেরও বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়া ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে প্রায় ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা তাদের বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন। অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

এর আগে শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে ইসরায়েলের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার বৈঠকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

চুক্তির প্রথম ধাপে হামাস ৩৩ জন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তি দেবে। যার মধ্যে নারী, শিশু এবং ৫০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষরা অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে, ইসরায়েল প্রথম ধাপে কারাগারে আটক সমস্ত ফিলিস্তিনি নারী ও ১৯ বছরের কম বয়সী শিশুদের মুক্তি দেবে। বন্দিদের সংখ্যা ৯৯০ থেকে ১,৬৫০-এর মধ্যে হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই চুক্তির আওতায় গাজায় প্রতিদিন ৬০০ ট্রাক পর্যন্ত ত্রাণ সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে। বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে মাত্র ৫১টি ট্রাক প্রবেশ করছে।

এই যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি সফল হলে তা কেবল সংঘাত থামাবে না, বরং মানবিক সাহায্যের মাধ্যমে গাজার পরিস্থিতি অনেকাংশে উন্নত হবে।

চুক্তিতে কী কী বিষয় থাকছে

১। চুক্তির প্রথম ধাপে শিশু, নারী, বয়স্ক এবং আহত ব্যক্তিদের মুক্তি দেওয়া হবে।

২। ১৬ দিন পর দ্বিতীয় ধাপের আলোচনায় বাকি জীবিত জিম্মি এবং মৃতদেহ ফেরতের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

৩। ইসরায়েলি বাহিনী ধাপে ধাপে গাজা থেকে সরে দাঁড়াবে।

৪। নিরস্ত্র বাসিন্দাদের উত্তর গাজায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD