বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন




পেন্টাগনের নতুন নাম ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১০:০৪ am
Pentagon পেন্টাগন headquarters building United States Department Defense মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর দপ্তর পেন্টাগন সদরদপ্তর ওয়াশিংটন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমেরিকা North America United States United State usa usa
file pic/ রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স) বা পেন্টাগনের নাম পাল্টাচ্ছেন। নতুন নাম হবে ‘ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার’। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এতে আরও বলা হয়, আজ শুক্রবার তিনি একটি নির্বাহী আদেশে সই করবেন। সেখানে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘সেক্রেটারি অব ওয়ার’ হিসেবে উল্লেখ করার নির্দেশ দেয়া হবে। মার্কিন সেনাবাহিনীসহ সব সশস্ত্র বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করে পেন্টাগন। এর আগে নাম ছিল ওয়ার ডিপার্টমেন্ট, যা ১৭৮৯ সালে জর্জ ওয়াশিংটনের সময় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত টিকে ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এর নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম দেয়া হয় ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স।

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, ‘ডিপার্টমেন্ট অব ওয়ার’ নামটি প্রস্তুতি ও দৃঢ় সংকল্পের একটি শক্তিশালী বার্তা দেয়। এর বিপরীতে ‘ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স’ কেবল প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতাকে বোঝায়। তবে মার্কিন কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এই নাম স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে হেগসেথকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় আইন ও নীতিগত পদক্ষেপ সুপারিশ করতে, যাতে স্থায়ী নাম পরিবর্তন সম্ভব হয়। স্থায়ীভাবে নাম পরিবর্তনে বিপুল খরচ হবে বলে ধারণা করা হয়।

মার্কিন গণমাধ্যমের হিসাব অনুযায়ী, শত শত সরকারি দপ্তর, প্রতীক, ইমেইল ঠিকানা, ইউনিফর্ম ইত্যাদি পরিবর্তনে কমপক্ষে কয়েক বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে। এতে পেন্টাগনের ব্যয় সংকোচনের প্রচেষ্টা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ট্রাম্প বারবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অবিশ্বাস্য জয়’ এসেছিল বিশ্বযুদ্ধগুলোর সময়, যখন এর নাম ছিল ওয়ার ডিপার্টমেন্ট। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, কংগ্রেসও এ পরিবর্তনে রাজি হবে। তার ভাষায়, আমার মনে হয় কংগ্রেসও এতে সায় দেবে। এমনকি তাদের দরকার নাও হতে পারে।

ট্রাম্প ও হেগসেথের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে ‘যুদ্ধ প্রস্তুতি’ ও ‘যোদ্ধার চেতনা’র দিকে ফেরাতে হবে। তাদের অভিযোগ, বিভাগটি অতিরিক্তভাবে ডাইভারসিটি, ইকুইটি ও ইনক্লুশন কর্মসূচি এবং তথাকথিত ‘ওয়োক’ মতাদর্শে মনোযোগী হয়ে পড়েছে। এই নাম পরিবর্তনের ঘোষণা এমন সময়ে এল যখন চীন এক বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজে নতুন অস্ত্র, ড্রোন ও যুদ্ধ সরঞ্জাম উন্মোচন করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য একটি সরাসরি বার্তা হিসেবে ধরা হচ্ছে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD