জেনেভায় জাতিসংঘের ইউনিভার্সাল পিরিয়ডিক রিভিউতে (ইউপিআর) বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি যাচাইয়ে উঠছে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, জোরপূর্বক গুম, বিরোধী নেতাকর্মীদের গণগ্রেপ্তারের অভিযোগ। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা ২০২০ সালে কমে এলেও র্যাবের হাতে এসব ঘটনা,
গাজার পরিস্থিতি প্রতি মুহূর্তে ভয়াবহ হচ্ছে। পুরো অঞ্চল ধরে তৈরি হয়েছে মানবিক বিপর্যয়। হাসপাতাল থেকে বের হলেই হামলা চালাচ্ছেন ইসরাইলি স্নাইপাররা। পরিস্থিতি এতটাই বেগতিক যে, ১০০ নিহতের মরদেহ কবর দিতেও
বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের পর্যালোচনা সভা আজ। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বাংলাদেশ সময় বিকাল ৩টায় চতুর্থবারের মতো বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন আইন,
ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের বর্বর আগ্রাসন বন্ধে পাঁচটি সুপারিশ পেশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অবিলম্বে এই আগ্রাসন বন্ধের জন্যে বিশ্ব ক্রমাগত আহ্বান জানিয়ে আসছে। তা সত্ত্বেও ইসরাইলের এই আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে।
পূর্ব ভূমধ্যসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বিধ্বস্ত এই বিমানটি পূর্ব ভূমধ্যসাগরে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছিল। একপর্যায়ে গভীর রাতে দুর্ঘটনার শিকার হয়ে নিচে পড়ে যায় বিমানটি। রোববার দুর্ঘটনার কারণ
গাজা সংকট নিরসনে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে শুরু হয়েছে জয়েন্ট আরব ইসলামিক এক্সট্রাঅরডিনারি সামিট। শনিবার সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে এই সম্মেলন শুরু হয়। অর্গানাইজেশন অব
দেশের শ্রম খাত নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি প্রতিনিধিদল আগামীকাল রবিবার (১২ নভেম্বর) ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। এই সফর সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইউরোপিয়ান এক্সটারনাল
গাজায় ইসরায়েলের আক্রমণে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা বন্ধ না হলে মধ্যপ্রাচ্যে বৃহত্তর যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহর সেকেন্ড ইন কমান্ড শেখ নাঈম কাসেম। তিনি বলেন, ‘এই
জিম্মিদের মুক্তি নিয়ে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে আলোচনা করছে ইসরাইল। মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, জিম্মিদের মুক্তি নিয়ে দুটি প্রস্তাবের ওপর আলোচনা
বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখার গভীর ইচ্ছা প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি দিয়েছেন কানাডার পার্লামেন্টের আট সদস্য। ৮ নভেম্বর ইস্যু করা এই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আসন্ন নির্বাচনে