শহীদুল্লাহ ফরায়জী: যারা গণতন্ত্রে আস্থাশীল নয়, কিন্তু রাষ্ট্র-ক্ষমতাকে রক্তপাত এবং প্রতারণার মাধ্যমে করায়ত্ব করতে চায়, এমনকি গণহত্যাকেও বৈধতা দিতে চায়— গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্নে তাদের নিয়ে একটি দার্শনিক পর্যালোচনা বর্তমান সময়ে
শান্তনা রহমান: বিএনপি-জামায়াতের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে তা এখনো অজানা। লন্ডনে বা ঢাকায় কোনো দলের পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই বলা হয়নি। এ কারণেই হয়তো বিস্তর কৌতূহল । দু’দলের
হত্যাসহ শতাধিক মামলায় তিনি এখন বিচারের মুখোমুখি। পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন ভারতের রাজনৈতিক আশ্রয়ে রয়েছেন। এর আগেও তিনি ছয় বছর ভারতের মেহমান ছিলেন। কারণ অবশ্য ভিন্ন। ’৭৫ সনের পট
তা যদিও কেউ কারো প্রয়োজনে নেন বিশ্বের যে কোনো প্রান্তের নাগরিকত্ব। সেটা যে পরিবারই হোক না কেন, তাতে কারো মাথাব্যথা হওয়া, ক্যাটাঙ মারা কি ভালো? এখানে দল রাজনীতি বলে কোনো
প্রকাশ্যে ধূমপান প্রসঙ্গে সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীর বক্তব্যের পর একশ্রেণির মানুষ তার অপসারণ চেয়ে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তারা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে পদত্যাগের আহ্বান জানান। বিষয়টি
বিশ্ব এখন এক অভূতপূর্ব প্রযুক্তিগত বিপ্লবের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলেছে, যেখানে উচ্চগতির, স্থিতিশীল ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ শুধু একটি বিলাসিতা নয়, বরং সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকা শক্তি
মিজানুর রহমান: ৫ই আগস্টের রক্তাক্ত অভ্যুত্থান রাজনীতিকে জটিল করে দিয়েছে। নতুন বাংলাদেশে ‘ভারত কার্ড’ ক্রমেই মুখ্য হয়ে উঠছে। আশ্চর্যজনক হলেও এটাই বাস্তবতা। ভারতবিরোধী কার্ডের নয়া নয়া দাবিদার দৃশ্যপটে। পুরনোরা বরং
লুৎফর রহমান জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের পর থেকে আলোচনায় শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক দল গঠন। কেমন হবে এই দল, কারা থাকছেন নেতৃত্বে এমন প্রশ্ন, আলোচনা জনমনে। নতুন দল কতোটা মানুষের কাছে যেতে পারবে। কতোটা
ইতিহাসে এমন সময় আসে। মনে হয় খুব একটা কিছু ঘটছে না। তারপরও চোখ-কান খোলা রাখতে হয়। কখন কী ঘটে? ‘৫ই আগস্টের’ পর বাংলাদেশ তেমন একটা সময়ই অতিক্রম করছে। এর আগের
বর্তমান বাংলাদেশের মূল চালিকাশক্তি কে বা কারা? এ প্রশ্নের উত্তর জানার আগে উল্লেখ করা দরকার, যেকোনো রাষ্ট্রের, আরও সুনির্দিষ্টভাবে বললে কোনও সরকারের একটি মূল চালিকাশক্তি থাকে। আর তা হলো ক্ষমতাসীন