বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির বিবর্তনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সরকার আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থানকে সুসংহত করার চেষ্টা করেছে। তবে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থ, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা এবং ভূরাজনৈতিক বাস্তবতাকে
যেকোনো দেশের সঠিক পররাষ্ট্রনীতির ওপর নির্ভর করে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ দেশের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতি। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর ক্ষেত্রে এটি আরো বেশি প্রযোজ্য। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে দূরদর্শী পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করতে পেরেছিলেন
এখন গ্রীষ্মকাল। জ্যৈষ্ঠের তাপদাহে জনজীবন বিপর্যস্ত। এর সঙ্গে বাতাসে অস্বাভাবিক আর্দ্রতা পরিস্থিতিকে আরও অসহনীয় করে তুলেছে। বৃষ্টি না থাকায় গরমের তীব্রতা বাড়ছে। শিশু থেকে বৃদ্ধ– সব বয়সী মানুষই বিভিন্ন ধরনের
সংকটে পড়া পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের সাবেক মালিকদের আবারও ব্যাংকিং খাতে ফেরার সুযোগ দেওয়াকে দেশের আর্থিক খাতের সংস্কার প্রক্রিয়ার জন্য গভীর উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ সেলিম রায়হান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি
গভীর সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক তাৎপর্যে পরিপূর্ণ এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগ নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করেছে। এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় এক নতুন মোড় নির্দেশ করে,
ড. মো. অলিউর রহমান স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নজরদারির মধ্য দিয়ে পেশাদারি গণমাধ্যমের হাত ধরে বিকশিত হয় অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র। আর সেই সক্ষমতার প্রভাব মূল্যায়নে গণমাধ্যমকে বলা হয় ‘রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ’।
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন রাষ্ট্র পরিচালনার ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক পরিবর্তন একটি স্বাভাবিক বিষয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ক্ষমতার পালাবদল হয়, নতুন নেতৃত্ব আসে, নতুন নীতি নির্ধারিত হয়। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো—এই
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন ১০ দিন বয়সি সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে অনেক জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশেষত, আলোচিত ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, ই-হেলথ কার্ড ও খাল খনন কার্যক্রম শুরু করতে সেল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ১২ মার্চ সংসদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে। আর প্রথম অধিবেশনেই ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ ইস্যুতে উত্তপ্ত হতে পারে জাতীয় সংসদ। দলগুলোর বক্তব্য ও আইন বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যে এমন
মানুষের সঙ্গে মানুষের ভার্চুয়াল যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন আর কেবল মতবিনিময়ের জায়গা নয়-ক্রমেই তা বিভাজন, বিদ্বেষ ও সহিংসতা ছড়ানোর উর্বর ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে। এর নেপথ্যে কাজ করছে এক অদৃশ্য