অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সবার জন্য এই বাজেট। এবারের জাতীয় বাজেটে দেশের প্রতিটি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। সমাজের কোনো শ্রেণি, পেশা, ধর্ম বা গোষ্ঠীকে
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী মূল্যস্ফীতি সাড়ে ৭ শতাংশ নামিয়ে আনার লক্ষ্য প্রায় অসম্ভব বলে ধারণ করছে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। শুক্রবার (১২ জুন) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে
ইংরেজ কবি টিএস এলিয়টের ভাষায়, ‘স্বপ্ন আর বাস্তবতার মাঝখানে সব সময়ই একটি ছায়া থাকে।’ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটও ঠিক সেই ছায়ার মধ্যেই দাঁড়িয়ে আছে। যেখানে একদিকে রয়েছে রাজস্বের দুর্বল ভিত্তি, আর
আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য মোট ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। যা জিডিপির ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ। এটি গত অর্থবছরের তুলনায় ১
জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এবার প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় জাতীয়
স্বাধীন বাংলাদেশে তাজউদ্দীন আহমদ ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা করে ১৯৭২ সালে যে যাত্রার সূচনা করেছিলেন, সেই পথ ধরে বাংলাদেশের ৫৫তম বাজেট নিয়ে আসছেন আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। যার আকার
সরকার বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছে। এজন্য আগামী বাজেটে নানামুখী নীতিসহায়তাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে কার্পণ্য করতে চায় না। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকারের উদ্দেশ্য ভালো, কিন্তু যেভাবে রোডম্যাপ
স্বপ্ন বড়, কিন্তু সক্ষমতা সীমিত। দীর্ঘ ১৯ বছর পর ক্ষমতায় এসে একটি দুর্বল, চাপগ্রস্ত এবং নানা সংকটে জর্জরিত অর্থনীতি পেয়েছে বর্তমান বিএনপি সরকার। এ অবস্থায় আজ সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট
তেলবাহী ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজসহ সব ধরনের নৌযানের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ইরানের সর্বোচ্চ যৌথ সামরিক কমান্ড বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এ ঘোষণা দেয়। খবর রয়টার্সের। এদিকে, ইরান
দেশকে ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার উচ্চাকাঙ্ক্ষী লক্ষ্য সামনে রেখে আগামী (২০২৬-২৭) অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করতে যাচ্ছেন অর্থমন্ত্রী