দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে আজ থেকে। এই সময় হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল করতে পারবে। তবে সেজন্যে জাহাজগুলোর কাছ থেকে ট্রানজিট ফি নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ইরান। তাদের সঙ্গে আছে
মার্কিন কংগ্রেসওম্যান আলেক্সান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ আবারও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে অভিশংসনের দাবি তুলেছেন। তিনি বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সাময়িক যুদ্ধবিরতির ঘোষণা ‘কিছুই বদলায়নি’। ট্রাম্প গতকাল ইরানকে বেধে দেওয়া ডেডলাইনের শেষ মুহূর্তে একটি সোশ্যাল মিডিয়া
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এক হুমকির প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। এক্সে দেওয়া পোস্টে লিখেছেন, তিনিসহ ইরানের প্রায় দেড় কোটি মানুষ যুদ্ধের জন্য স্বেচ্ছায় জীবন উৎসর্গ করতে
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইসরায়েলি বাহিনী ইরানে রেলপথ ও সেতুকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ দাবি করেন। নেতানিয়াহু অভিযোগ করেন, এসব অবকাঠামো ইরানের ইসলামিক
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে কোনো ধরনের সাময়িক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের সাময়িক বিরতি শত্রুপক্ষকে নতুন করে শক্তি সঞ্চয় এবং
ভূমধ্যসাগরে নৌযান-ডুবির শিকার হয়ে নিখোঁজ হয়েছেন ৭০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী। ডুবে যাওয়া সেই নৌযানটি থেকে ৩২ জনকে জীবিত এবং ২ জনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করেছে ইতালির কোস্টগার্ড বাহিনী। যে ৩২ জনকে
যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও আঞ্চলিক কয়েকটি মধ্যস্থতাকারী দেশ সম্ভাব্য ৪৫ দিনের একটি যুদ্ধবিরতির শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা করছে। এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের পথ তৈরি করতে পারে। গত
চুক্তি করার জন্য ইরানকে সময়সীমার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। জবাবে ইরানের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘নরকের দরজা আপনাদের
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধে গতকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) পর্যন্ত অন্তত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে আরও অন্তত ৩৬৫ জন। হতাহতের এ হিসাব দিয়েছে মার্কিন
শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে পাকিস্তান। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) রাতে রাজধানী ইসলামাবাদসহ দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলজুড়ে ৬ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তরের ন্যাশনাল সিসমিক মনিটরিং সেন্টার (এনএসএমসি) জানায়,