প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন ১০ দিন বয়সি সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে অনেক জরুরি পদক্ষেপ নিয়েছে। বিশেষত, আলোচিত ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড, ই-হেলথ কার্ড ও খাল খনন কার্যক্রম শুরু করতে সেল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ১২ মার্চ সংসদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে। আর প্রথম অধিবেশনেই ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ ইস্যুতে উত্তপ্ত হতে পারে জাতীয় সংসদ। দলগুলোর বক্তব্য ও আইন বিশেষজ্ঞদের বক্তব্যে এমন
মানুষের সঙ্গে মানুষের ভার্চুয়াল যোগাযোগের প্ল্যাটফর্ম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন আর কেবল মতবিনিময়ের জায়গা নয়-ক্রমেই তা বিভাজন, বিদ্বেষ ও সহিংসতা ছড়ানোর উর্বর ক্ষেত্রে পরিণত হচ্ছে। এর নেপথ্যে কাজ করছে এক অদৃশ্য
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জোটের ক্ষেত্রে আদর্শগত রাজনীতির চেয়ে ক্ষমতার রাজনীতি বেশি লক্ষণীয়। জামায়াতের সঙ্গে জোটে যাওয়ার মধ্য দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সেই ধারাটাই বজায় রাখল বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক উত্তেজনা তীব্র হচ্ছে। সামাজিক মাধ্যম, সংবাদপত্র ও বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কিছু রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থক প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধে অপতথ্য প্রচারণা চালাচ্ছে।
মাইকেল কুগেলম্যান দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে সবচেয়ে বড় প্রশ্নগুলোর একটি হলো, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান কেন লন্ডনে ১৭ বছরেরও বেশি সময় স্বেচ্ছা
গত বছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অভাবনীয় সুবিধাজনক অবস্থানে আছে। সাংগঠনিকভাবে জামায়াতকে বেশ সুসংগঠিত মনে হয়। মিডিয়াও ভাল কাভারেজ দিচ্ছে। রাজনৈতিকভাবে ও প্রচারণায় তাদের বেশ
অনেক ইংরেজি শব্দের সঠিক বাংলা প্রতিশব্দ বলা কঠিন। আমি বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন বর্ণনায় ইংরেজি ক্যারিশম্যাটিক (Charismatic) শব্দটি বলতে চেয়েছিলাম। ইংরেজি থেকে বাংলা অভিধানে দেখলাম সেই শব্দের সঠিক প্রতিশব্দে
আমরা কি সত্যিই পরিবর্তন চাই-নাকি ক্ষমতার সিঁড়িতে ওঠার সহজ পথ খুঁজি? এই প্রশ্নটি আজকের বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতার কেন্দ্রবিন্দুতে দাঁড়িয়ে আমাদের বিবেককে এমনভাবে নাড়া দেয় যে, সোজাসুজি উত্তর দিতে গিয়েই আমরা
চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ভারতে পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রত্যাশিত বলে মনে করেন বিশিষ্টজনরা। তাদের মতে, এই রায়ে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতরা ন্যায়বিচার পেয়েছেন।