অসতর্কতার কারণে একই সময়ে ৩টি নি’আমত থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি!
১. দুয়া বা দোয়া কবুল হওয়া থেকে, ২. রাসূল ﷺ এর নিশ্চিত শাফায়াত হতে, ৩. সহজে জান্নাতে যাওয়া হতে।
>> আজান, মুসলমানদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সময়, অন্যতম একটি নি’আমত কারণ এই সময়ে দু’আ কবুল হয়, মনযোগ সহকারে আজান শুনে তার জবাব দিলে আল্লাহর রাসূল ﷺ এর শাফায়াত সুনিশ্চিত হয় এবং জান্নাত সহজ হয়ে যায়, সুবাহানাল্লাহ! একটু সতর্ক হোন!
>> আজানের সময়ের দু’আ প্রত্যাখ্যাত হয় না অথবা খুব কমই প্রত্যাখ্যাত হয়।
(আবু দাউদ:২৫৪০)
>> যে ব্যক্তি আজান শুনে দু’আ করে: ‘হে আল্লাহ-এ পরিপূর্ণ আহবান ও সালাতের প্রতিষ্ঠিত মালিক, মুহাম্মাদ ﷺ কে ওয়াসিলা ও সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী করুন এবং তাকে সে মাকেমে মাহমূদে পৌছিয়ে দিন যার অঙ্গিকার আপনি করেছেন’- কিয়ামতের দিন সে রাসূলুল্লাহ ﷺ এর শাফা’আত লাভের অধিকারী হবে।
(সহীহ্ বুখারী: ৫৮৭)
>> আন্তরিকতার সাথে আজানের জবাব দেয়ার কারণে সে জান্নাতে যাবে।
(সহীহ্ মুসলিম:৭৩৬)
সুতরাং আজান যখনই শুনবেন মনযোগ দিয়ে শুনুন, আন্তরিকতার সাথে আজানের জবাব দিন, আজান শেষে দু’আ করুন, ইনশা আল্লাহ দু’আ কবুল হবে। সেই সাথে জান্নাতে যাওয়াও সহজ হবে। আল্লাহ তাওফিক দিন।
IFM desk.