সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় বিদ্যমান তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনটি সংশোধনের মাধ্যমে শক্তিশালীকরণের যে খসড়া প্রস্তাব তৈরি করেছে তা বর্তমানে চুড়ান্তকরণের অপেক্ষায় আছে।
খসড়ায় ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান বাতিল, সিঙ্গেল স্টিক সিগারেট/বিড়ি ও ই-সিগারেট বিক্রি নিষিদ্ধ, বিক্রয় স্থলে তামাক পণ্যের প্রদর্শনী ও তামাক কোম্পানির সিএসআর কার্যক্রম বন্ধ , এবং তামাক পণ্যের প্যাকেটে সচিত্র সতর্কবার্তার আকার বৃদ্ধির প্রস্তাবনা রয়েছে।
এগুলো বাস্তবায়িত হলে দেশে তামাক ব্যবহার উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কমে আসবে বলে ইতোমধ্যেই এই খসড়ার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ দেশের শীর্ষ নীতি-নির্ধারকদের পাশাপাশি ১৫৫ জন মাননীয় সংসদ সদস্য। এছাড়াও নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকেও এই প্রস্তাবনাগুলো ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে ১৩ জুলাই ২০২৩ উন্নয়ন সমন্বয়ের আয়োজনে ‘সংশোধিতধূমপানওতামাকনিয়ন্ত্রণআইনদ্রুতপাশেরদাবিতে’ নাগরিক সংলাপে অংশগ্রহণকারি অর্থনীতিবিদ এবং নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ প্রস্তাবিত খসড়া আইনটি দ্রুত চুড়ান্তকরণের আহ্বান জানিয়েছেন।
সংলাপে সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সমন্বয়ের সভাপতি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান। উন্নয়ন সমন্বয়ের হেড অব প্রোগ্রামস শাহীন উল আলমের সঞ্চালনায়- আলোচনায় অংশ নেন বিশিষ্ট কথা সাহিত্যিক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি সেলিনা হোসেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডা. রোকেয়া খাতুন রেখা, শ্যামল বাংলা মিডিয়া লিমিটেডের প্রধান সম্পাদক ড. আবদুল হাই সিদ্দিক, বিএফইউজে-এর কোষাধ্যক্ষ ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব খাইরুজ্জামান কামাল, স্থপতি ইকবাল হাবিব, এবং বিআইজিডি-এর ভিজিটিং ফেলো খন্দকার সাখাওয়াত আলী। প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদদের মধ্যে এই আলাচনায় অংশ নেন- রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট-এর চেয়ারম্যান ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, বিআইআইএসএস-এর গবেষণা পরিচালক ড. মাহফুজ কবির, সিপিডি-এর রিসার্চ ফেলো সৈয়দ ইউসুফ সাদাত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী এবং সহযোগি অধ্যাপক সৈয়দ নঈমুল ওয়াদুদ।