শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৫:০৬ অপরাহ্ন




শ্রাবণেও মিলছে না ইলিশ, দাম চড়া

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৭ আগস্ট, ২০২৩ ১১:২১ am
hilsha Panta Ilish Panta_Ilish Cooked rice steaming boiling boiled rice চাল চাউল ধান ভাত অন্ন চাল খাবার প্রধান খাদ্য রান্না সিদ্ধ সেদ্ধ Cooked rice steaming boiling boiled rice চাল চাউল ধান ভাত অন্ন চাল খাবার প্রধান খাদ্য রান্না সিদ্ধ সেদ্ধ Panta Ilish Panta_Ilish Cooked rice steaming boiling boiled rice Panta bhat Hilsa Fish Fried পান্তা ইলিশ চাল চাউল ধান ভাত অন্ন চাল খাবার প্রধান খাদ্য রান্না সিদ্ধ সেদ্ধ পান্তা ভাত পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ ইলিশ ভাজা মাছ মাছ fishing catch fish Boat ship ark skiff davit craft smack yawl scow vessel জাহাজ তরণী সিন্দুক নৌকা জেলে নৌকা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জালিয়া খাল বিল নদী নালামাছ
file pic

জ্যৈষ্ঠ মাস থেকেই ইলিশের মৌসুম শুরু। কিন্তু এবার ভরা শ্রাবণেও ঝালকাঠির নদীতে ইলিশ ধরা পড়ছে না। বিভিন্ন মাধ্যমে অল্প পরিমাণে ইলিশ জেলায় ঢুকলেও তার দাম চড়া। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে অনেক বেশি। ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে ইলিশ।

ঝালকাঠির বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক কেজি বা তারও বেশি ওজনের ইলিশের দাম আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা। ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা, ৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজিপ্রতি ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

রাজাপুরের বাগড়ি বাজারের ইলিশ ব্যবসায়ী ফরহাদ হাওলাদার বলেন, অনেক দিন ইলিশ ধরা বন্ধ ছিল। এখন খুলেছে কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকায় জেলেরা সাগরে জাল ফেলতে পারে না। তাই বাজারে ইলিশের সরবরাহ অনেক কম। এছাড়া ঝালকাঠির নদীগুলোতে এখনো তেমন ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেনি। এ কারণে বাজারে ইলিশের দাম বাড়তি। গত বছর এ সময় যে দামে ইলিশ বিক্রি করেছিলাম, এখন তার চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

প্রতিবছর ঝালকাঠি বড় বাজারে এ সময় প্রচুর পরিমাণ ইলিশ সরবরাহ ছিল। ফলে ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে সরগরম থাকত বাজারটি। এবার সেই চিত্র নেই। ইলিশের সরবরাহ একেবারেই কম। দামও বেশ চড়া।

আরিফুর রহমান নামে এক ক্রেতা বলেন, ৬৮০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ ১ হাজার ৫৫০ টাকা দিয়ে কিনেছি। বাজারে ইলিশের আমদানি খুবই সামান্য।

হেমায়েত শরীফ নামের আরেক ক্রেতা বলেন, বাজারে ছোট ও মাঝারি সাইজের কিছু পরিমাণ ইলিশ এসেছে। ছোট ইলিশ দেখলে পছন্দ হয়, যা পছন্দ হয় তার দাম প্রতিকেজি ১ হাজার ৮০০ টাকা। এজন্য ইলিশ কিনতে না পেরে সাগরের অন্য মাছ কিনে বাড়ি যাচ্ছি।

ঝালকাঠি বড় বাজারের আড়তদার রফিকুল ইসলাম ভান্ডারী বলেন, মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা থাকায় ইলিশের সরবরাহ একেবারেই বন্ধ ছিল। কিছুদিন আগে নিষেধাজ্ঞা উঠলেও এখন ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে জেলেরা ঝুঁকি নিয়ে নদীতে মাছ ধরতে সাহস করছেন না।

এদিকে শ্রাবণের শেষে এসেও নদীতে ইলিশের দেখা না পেয়ে হতাশ জেলেরা। বিষখালী তীরবর্তী কিস্তাকাঠি এলাকার জেলে বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘নদীতে কয়েক ঘণ্টা জাল ফেলেও কাঙ্ক্ষিত ইলিশের দেখা মিলছে না।

একই কথা বললেন পাশের নাপিতেরহাট এলাকার জেলে আলমগীর হোসেনও। জেলে সুলতান হোসেন বলেন, সুগন্ধা, বিষখালী, হলতা, গাবখান নদীতে ইলিশের দেখা নেই। নদীগুলোতে ইলিশের কোনো খবর নেই। জেলেরা নদী থেকে শূন্যহাতে ফিরছেন। কারণ নদীতে প্রচণ্ড বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা আছে। তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জেলেরা বেশিক্ষণ থাকতে পারছেন না।

জেলে মো. ইকবাল বলেন, ‘নদীতে এখন ইলিশের দেখা পাওয়া ভাগ্যের বিষয়। কেন না ইলিশ তার জীবনচক্রের কারণে গভীর সমুদ্রে চলে গেছে। প্রজনন বা ডিম ছাড়ার সময় হলে মিষ্টি পানিতে বেশি আসে। এখন নদীতে ইলিশ নেই বললেই চলে।

ঝালকাঠি জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন চন্দ্র ঘোষ বলেন, ঝালকাঠি নদীগুলোতে এখনো ইলিশ তেমন ধরা পড়ছে না। কারণ ইলিশ ধরা পড়তে বর্ষা লাগে। এর আগে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা ছিল। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরে তেমন বৃষ্টিপাত ছিল না। কয়েকদিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে। এখন কাঙ্ক্ষিত ইলিশ পাওয়া যাবে বলেও আশা করছি।

তার দাবি, ইলিশ রক্ষায় সরকার ঘোষিত বিভিন্ন পদক্ষেপ সফলভাবে বাস্তবায়ন করায় প্রতিবছর ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD