শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন




অর্থনীতিতে ৯ চ্যালেঞ্জ দেখছে এমসিসিআই

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২৯ মে, ২০২৩ ৪:৩৬ pm
Metropolitan Chamber of Commerce Industry মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স ইন্ডাস্ট্রি এমসিসিআই mcci এমসিসিআই
file pic

সময়ে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, দুর্বল রেমিট্যান্স প্রবাহ, সরকারের রাজস্ব আদায়ে ঘাটতি, উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়ন কম হওয়া, চলতি হিসাবে বড় ঘাটতি, টাকার মূল্যমান কমে যাওয়া এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে যাওয়াই দেশের অর্থনীতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এ ছাড়া বেকারত্ব পরিস্থিতি এবং বেসরকারি বিনিয়োগ কম থাকাও এখন গুরুত্বপূর্ণ দুটি চ্যালেঞ্জ।

চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিক অর্থাৎ, গত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে এমন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) ঢাকার প্রতিবেদনে। রোববার প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়।

এমসিসিআইর ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থনৈতিক চাপগুলো কাটিয়ে উঠতে সরকার দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখা, মূল্যস্ফীতি ঠিকভাবে সামাল দেওয়া, রাজস্ব আদায় বাড়ানো, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের যথাযথ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং সামাজিক সুরক্ষা বাড়ানোর জন্য সরকার থেকে আরও কিছু উদ্যোগ নেওয়া দরকার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিকে দেশের অর্থনীতিতে বেশ কিছু উন্নতির লক্ষণ দেখা গেছে। কভিড-১৯ এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও ভালো অবস্থায় ছিল দেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ দুটি চালিকাশক্তি– রপ্তানি ও আমদানি।

এমসিসিআইর বিশ্লেষণ অনুসারে, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখনও সন্তোষজনক অবস্থানে রয়েছে। তবে একটি দুর্বল গতিপথের মধ্যে আছে এটি। গত মার্চ শেষে রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় ৩১ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলারে। অথচ ঠিক এক বছর আগে রিজার্ভ ছিল ৪৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি। আর বছরের জুন থেকে চলতি বছরের মার্চ নাগাদ ইউএস ডলারের বিপরীতে টাকার মূল্যমান কমেছে প্রায় ১৩ শতাংশ।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বিভিন্ন খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় গত মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশে পৌঁছেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেড়েছে। তবে এপ্রিলে তা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় কমেছে প্রায় সাড়ে ১৬ শতাংশ। গত জুলাই-মার্চ সময়ে দেশের চলতি হিসাবের ঘাটতি কমে হয়েছে ৩ দশমিক ৬৪ বিলিয়ন ডলার। তবে সামগ্রিক লেনদেনে ঘাটতি ৮ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। যেটি গত অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ৩ বিলিয়ন ডলারের মতো।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD