সরকারি একটি ওয়েবসাইট থেকে নাগরিকদের তথ্য উন্মুক্ত হয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে জাতীয় পরিচয় তথ্যভাণ্ডারের সার্ভারকে সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি সেবা নেওয়া ১৭১টি প্রতিষ্ঠানের উপর সারাক্ষণ তদারকি চালানোর সুপারিশ এসেছে।
বৃহস্পতিবার ‘ইসিতে রক্ষিত এনআইডি তথ্যভাণ্ডারের অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে’ টেকনিক্যাল পার্সনদের সঙ্গে বৈঠকে শেষে এ তথ্য জানান এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ুন কবীর।
নির্বাচন ভবনে বিকালে দুই ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও টেকনিক্যাল পার্সনদের নিয়ে বসেছিলাম। আমাদের এনআইডি সার্ভার আরও শক্তিশালী এবং আরও সুরক্ষা কীভাবে করা যায় সে বিষয়ে তাদের মতামত, পরামর্শ নিয়েছি। এসব পরামর্শ লিপিবদ্ধ করে বাস্তবায়নের জন্য আমাদের যে ১৭১টি পার্টনার আছে, তাদের সঙ্গে আবারও কথা বলব। তখন আরও টেকনিক্যাল পার্সনদের সাথে নেব।”
তিনি জানান, সভায় বঙ্গবন্ধু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পিরিয়ডিকাল অডিট (পর্যায়ক্রমিক নিরীক্ষা) করার পরামর্শ দিয়েছেন।
“আমাদের ফিজিক্যাল ও টেকনিক্যাল সিকিউরিট আরও বাড়াতে হবে।”
তথ্য ফাঁসের সাম্প্রতিক ঘটনায় জাতীয় পরিচয় তথ্য ভাণ্ডার থেকে হয়নি নিশ্চিত করে হুমায়ুন কবীর বলেন, “অন্য জায়গা থেকে, পার্টনার থেকে হতে পারে। এজন্য আইসিটি মিনিস্ট্রি টেকনিক্যাল কমিটি করেছে, তদন্ত কমটি করেছে। আমরা অনুরোধ করেছি-আমাদের লোকজনকে যে কো-অপ্ট করা হয়, যাতে আমরা লার্নিং প্রসেসের পাশাপাশি প্রিভেন্টিভ মেজার নিতে পারি।
“কারণ, প্রতিদিন সাইবারে একেকটি স্টেপ এগিয়ে যাচ্ছে। তার সঙ্গে আমাদের সাইবার সিকিউরিটি এগিয়ে নেওয়া না হলে সব সময় ভালনারেবল থাকবে।”
এনআইডি ডিজি বলেন, “আমাদের এখানে এখন পর্যন্ত কোনো লুপ হোলস নেই। তবে আমাদের সিস্টেমকে আরও বেশি শক্তিশালী করতে হবে। সে ব্যাপারে তারা কথা বলেছেন। যেন (পিরিওডিক্যাল অডিট হতে পারে, টিকনিক্যাল কমিটি মাঝে মাঝে তা দেখতে পারে থ্রেট আছে কি না। আমাদের পার্টানারগুলোকে এখান থেকে যেন মনিটরিং করতে পারি সে বিষয়ে সাজেশন দিয়েছে।”