শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন




দেশে আক্রান্ত শিশুর ৭৮ শতাংশেরই ব্লাড ক্যান্সার

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ ১১:৩৪ pm
heart হৃদরোগ বিশ্ব হার্ট দিবস চিকিৎসকরা হার্ট হৃৎপিণ্ড lung cancer Cancer Cancer Treatment Cancer disease body's cells grow uncontrollably spread parts of the body ক্যান্সার চিকিৎসা ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা ডাক্তার নার্স রোগ সংক্রমণব্যাধি হার্ট অ্যাটাক ব্রেস্ট ক্যান্সার গলার গলা ক্যান্সার ধূমপান পরিবেশ দূষণ খাবার দূষণ ক্যান্সার ক্যান্সার হাসপাতাল চিকিৎসক স্ক্রিনিং হেলথ কেয়ার lung cancer কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ Heart Disease lung cancer Cancer Cancer Treatment Cancer disease body's cells grow uncontrollably spread parts of the body ক্যান্সার চিকিৎসা ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা ডাক্তার নার্স রোগ সংক্রমণব্যাধি হার্ট অ্যাটাক ব্রেস্ট ক্যান্সার গলার গলা ক্যান্সার ধূমপান পরিবেশ দূষণ খাবার দূষণ ক্যান্সার ক্যান্সার হাসপাতাল চিকিৎসক স্ক্রিনিং হেলথ কেয়ার
file pic

দেশে বর্তমানে ২০ লাখের বেশি ক্যান্সার রোগী রয়েছেন, যাদের ৫ শতাংশই শিশু। এসব শিশুর ৭৮ শতাংশই আবার ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের বেশির ভাগ ক্যান্সার জন্মগত হলেও পারিপার্শ্বিক পরিবেশও কম দায়ী নয়। রক্তে সেলগুলো প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হওয়ায় শিশুরা বেশি ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। তবে শিশু ক্যান্সারের চিকিৎসা শুধু ঢাকাকেন্দ্রিক। এসব রোগীর চিকিৎসায় রয়েছেন মাত্র ৪৭ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।

এমন পরিস্থিতিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশে ‘বিশ্ব শিশু ক্যান্সার’ দিবস পালিত হবে। এবারের প্রতিপাদ্য– ‘যথাসময়ে সঠিক চিকিৎসায় শিশু ক্যান্সার নিরাময় সম্ভব’। দিবসটি উপলক্ষে সকালে বিএসএমএমইউ র‌্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুর সঠিক পরিসংখ্যান নেই। ইন্টারন্যাশনাল চাইল্ডহুড ক্যান্সার (আইসিসি) বলছে, বিশ্বে প্রতিবছর ৪ লাখের বেশি শিশু ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছে। বাংলাদেশে প্রতিবছর দেড় লাখ মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন, যার ৫ শতাংশ শিশু। আক্রান্তদের ১০ শতাংশের কম রোগী চিকিৎসার আওতায় আসছে।

প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা পেলে উন্নত দেশে ৮০ শতাংশ শিশুকে বাঁচানো সম্ভব হচ্ছে, মধ্যম আয়ের দেশে এ হার ৬০ শতাংশ।

জিনগতভাবে শিশুরা ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ায় বড় একটি অংশ শনাক্তের বাইরে থেকে যাচ্ছে। আবার শনাক্তদের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ আর্থিক সংকটসহ নানা কারণে মাঝামাঝি পর্যায়ে হাল ছেড়ে দিচ্ছেন। বাকি ৩০ শতাংশ চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ জীবনযাপন করছে।

বিএসএমএমইউর শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগে ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত চিকিৎসা নিয়েছে ৪ হাজার ৭৮০ জন। এতে দেখা গেছে, সেবাগ্রহীতা শিশুদের ৭৮ শতাংশ ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত। টিউমার ক্যান্সারে ৮ দশমিক ৬ ও অন্যান্য ক্যান্সারে আক্রান্ত ১৩ শতাংশ। অথচ ২০১৮ সালের তথ্য পর্যালোচনায় সেবাগ্রহীতা শিশুদের ৩৩ ভাগ ব্লাড ক্যান্সারের রোগী পাওয়া যায়।

বিএসএমএমইউর শিশু হেমাটোলজি ও অনকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এটিএম আতিকুর রহমান জানান, অতিরিক্ত মোবাইলে আশক্তি, নগরায়ণ, বায়ু ও পানিদূষণের কারণে শিশুদের ক্যান্সার বাড়ছে। তবে ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় অধিকাংশ রোগী চিকিৎসার বাইরে থাকছে। যারা আসছে, তারও শেষ সময়ে।

ভারতের চেন্নাইয়ের গ্লেনিগেলস হেলথ সিটি হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক হেমাটো অনকোলজি বিশেষজ্ঞ ডা. পোন্নি শিবপ্রকাসম একটি সেমিনারে অংশ নিতে ঢাকায় এসেছেন। তিনি বলেন, ক্যান্সারে আক্রান্ত ৮০ শতাংশের বেশি শিশু নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশের বাসিন্দা। আবার আক্রান্ত শিশুর ৮০ শতাংশ থেকে যাচ্ছে শনাক্তের বাইরে। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত শিশুর ৮০ শতাংশ সুস্থ হয়ে ওঠে।

২০৩০ সালের মধ্যে ক্যান্সারে শিশু মৃত্যুর হার ৬০ ভাগ কমিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। শিশুদের ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ-২০৩০ ঘোষণা করেছে সংস্থাটি। যেখানে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে শিশুদের ক্যান্সারে আক্রান্তের হার ৬০ ভাগ কমিয়ে আনতে হবে। সেটি নিশ্চিত করতে হলে সব রোগীর জন্য সারাবিশ্বে সর্বোত্তম মানের স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করতে হবে। [সমকাল]




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD