২০২৬ সালের আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ৬১ দশমিক ৭ শতাংশ। এ বছর বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা—উভয় ক্ষেত্রেই গত দুই বছরের তুলনায় এবার অবনতি হয়েছে।
শনিবার বেলা ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পরে শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল প্রকাশ করা হয়।
প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এ বছর আলিম পরীক্ষায় মোট ৫৪ হাজার ৫৪৭ জন শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছাত্র ২৯ হাজার ২৬৯ জন এবং ছাত্রী ২৫ হাজার ২৭৮ জন।
ছাত্রদের পাসের হার ৫৮ দশমিক ১০ শতাংশ। ছাত্রীদের পাসের হার ৬৪ দশমিক ৯০ শতাংশ। অর্থাৎ, পাসের হারে ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন।
তবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যায় এগিয়ে রয়েছেন ছাত্ররা। এ বছর ২ হাজার ২৮ জন ছাত্র এবং ১ হাজার ২২২ জন ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। সব মিলিয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৩ হাজার ২৫০ জন।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবার ৪৬০টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ২ হাজার ৭০৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মোট ৯২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থী।
গত বছর ২০২৫ সালের আলিম পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৭৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৪ হাজার ২৬৮ জন। আর ২০২৪ সালে পাসের হার ছিল ৯৩ দশমিক ৪০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৯ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী।
এদিকে, পরীক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট এবং কেন্দ্রীয় ফল প্রকাশের ওয়েবসাইট থেকে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ছাড়া মোবাইল ফোন থেকে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাবে।
এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে HSC লিখে একটি স্পেস দিয়ে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: HSC Mad 123457 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।