শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১০:০০ অপরাহ্ন




মহাবিশ্বের সব থেকে বড় ব্ল্যাক হোলের সন্ধান, ৩০ বিলিয়ন সূর্যের সমান

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০২৩ ৪:১০ pm
মহাবিশ্ব sky গ্রহাণু Moon Chandra Grahan Sutak timing lunar eclipse চন্দ্র গ্রহণ চন্দ্রগ্রহণ cop কপ গ্রহাণু nasa নাসা satellite space orbit surface solar moon planet কৃত্রিম উপগ্রহ মহাকাশ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ গ্রহাণু
file pic/ বিবিসি

মহাবিশ্বের সব থেকে বড় ব্ল্যাক হোলের সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই ব্ল্যাক হোল এতটাই বড় যে এর মধ্যে ৩০ বিলিয়ন সূর্য জায়গা করে নিতে পারবে। এই ব্ল্যাক হোলটিকে খুঁজে পেতে নতুন একটি পদ্ধতি ব্যবহার করতে হয়েছে। এটি একটি গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব মিলিয়ন মিলিয়ন আলোকবর্ষ। এর আকৃতি এত বড় যে একে বলা হচ্ছে ‘আল্ট্রাম্যাসিভ ব্ল্যাক হোল’।

‘দ্য রয়্যাল অ্যাস্ট্রোনোমিকাল সোসাইটি’ এরইমধ্যে গবেষণা থেকে প্রাপ্ত তাদের সকল তথ্য প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, গ্রাভিট্যাশনাল লেন্সিং নামের এক নতুন পদ্ধতি ব্যবহার করে এই ব্ল্যাকহোলটি আবিষ্কার করা হয়। যেখানে মানুষের তৈরি টেলিস্কোপের দেখার সীমা শেষ হয়ে যায়, সেখানে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে বিশালাকৃতির বস্তু শনাক্ত করা সম্ভব। এই পদ্ধতিতে পরিমাপ করা প্রথম ব্ল্যাক হোল এটি। ব্ল্যাক হোল হলো এমন মহাজাগতিক বস্তু যেখানে মাধ্যাকর্ষণ বল অত্যন্ত শক্তিশালী। এর ফলে সেখান থেকে কোন কিছুই বের হতে পারে না।

এমনকি আলোর মত তড়িৎ-চৌম্বকীয় বিকিরণও এই আকর্ষণে বাধা পড়ে যায়। যেহেতু আলো প্রতিফলিত হতে পারে না, তাই ব্ল্যাক হোল দেখা সম্ভব নয়। তবে এর অস্তিত্ব প্রমাণ করার আরও অনেক পদ্ধতি আছে। তারই একটি এই গ্রাভিট্যাশনাল লেন্সিং।

এই বিশাল আকৃতির ব্ল্যাক হোলটি অ্যাবেল ১২০১ গ্যালাক্সি ক্লাস্টারে থাকা একটি গ্যালাক্সির কেন্দ্রে অবস্থিত। যখন অনেকগুলো গ্যালাক্সি পাশাপাশি অবস্থান করে তখন তাকে গ্যালাক্সি ক্লাস্টার বলে। গবেষণা দলের প্রধান ড. জেমস নাইটিঙ্গ্যাল বলেন, ব্ল্যাক হোলটির আকার এতই বড় যে তা বুঝাও আমাদের পক্ষে কঠিন। আপনি রাতের আকাশে তাকালে যত তারা ও গ্রহ দেখতে পাবেন তাকে এক জায়গায় রাখলেও এই ব্ল্যাকহোলের আকারের এক শতাংশের একটি ভগ্নাংশও হবে না। এই ব্ল্যাক হোলটি মহাবিশ্বের বেশিরভাগ গ্যালাক্সির চেয়েও বড়। তাত্ত্বিকভাবে একটি ব্ল্যাক হোল কত বড় হতে পারে তার একটা প্রমাণ পাওয়া গেছে এই আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে। তাই এই আবিষ্কার বিশেষ গুরুত্ব বহন করে বলেও জানান জেমস নাইটিঙ্গ্যাল।

নতুন আবিষ্কৃত ব্ল্যাক হোলটির অস্তিত্ব নিশ্চিত করেছে হাবল স্পেস টেলিস্কোপও। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এত বড় হলেও ব্ল্যাক হোলটিকে ঠিক সক্রিয় মনে হয়নি তাদের কাছে। অর্থাৎ, এটি এখন নতুন করে কিছু গিলছে না। এছাড়া এটি থেকে অন্য ব্ল্যাক হোলের মতো শক্তিশালী এক্স-রে রেডিয়েশনও শনাক্ত করা যায়নি।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD