বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন




জাকসু নির্বাচনে শিবিরের ভূমিধস জয়, ভিপি জিতু, জিএস মাজহার

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ৭:৫৫ pm
Jahangirnagar University ju logo জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় জাবি
file pic

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে চলছে হল সংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের ফল ঘোষণা। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে ফল ঘোষণা শুরু হয়।

ফলাফল ঘোষণার শুরুতে জাকসু নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকালে চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও প্রীতিলতা হলের রিটানিং কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌসের মৃত্যুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। পরে ফলাফল ঘোষণা শুরু করে নির্বাচন কমিশন। ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার মনিরুজ্জামান, সদস্য সচিব এ কে এম রাশিদুল আলম, সদস্য লুৎফুল এলাহীসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা উপস্থিত রয়েছেন।

হল সংসেদের বিজয়ী হলেন যারা

আল বেরুনী হল

ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন রিফাত আহমেদ শাকিল। জিএস পদে জয় পেয়েছেন মুনতাসির বিল্লাহ খান। আল বেরুনী হলের এজিএস হলেন সাদমান হাসান খান।

নবাব জয়জুন্নেসা হল

ভিপি পদে বুবলি আহমেদ (মার্কেটিং, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়) জয় পেয়েছেন। হয়েছেন জিএস সুমাইয়া খানম।

জাহানারা ইমাম হল

ভিপি নির্বাচিত হয়েছেন মাহমুদা খাতুন (গণিত)। জিএস পদে জয়লাভ করেছেন রিজওয়ানা বুশরা (পাবলিক হেলথ)।

১০ নং ছাত্র হল (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব)

ভিপি পদে জয় পেয়েছেন আসিফ মিয়া (সরকার ও রাজনীতি)। মেহেদী হাসান (আন্তর্জাতিক সম্পর্ক) জিএস পদে জয়লাভ করেছেন।

১৫ নং ছাত্রী হল

ভিপি পদে শারমিন রহমান (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়) নির্বাচিত হন। জিএস পদে জয়লাভ করেন মেহনাজ মোহনা।

শহীদ সালাম-বরকত হল

ভিপি পদে মারুফ হোসেন (রসায়ন) জয় পেলেন। জিএস পদে জয় পেয়েছেন মাসুদ রানা (ইতিহাস)।

সুফিয়া কামাল হল

জান্নাতুল নাইম জেরিন ভিপি পদে জয়ী হয়েছেন। জিএস পদে জয় পেয়েছেন রুবিনা জাহান।

মওলানা ভাসানী হল

ভিপি পদে বিজয়ী হন আব্দুল হাই স্বপন (গণিত)। জিএস পদে হৃদয় পোদ্দার (লোক প্রশাসন) জয়লাভ করেন।

মীর মশাররফ হল

ভিপি পদে জয়ী হলেন খালেদ জুবায়ের। জিএস পদে জয়ী শাহরিয়ার নাজিম হৃদয় জয়।

তারামন বিবি হল

ভিপি পদে ফারজানা আক্তার ঊর্মি ও জিএস পদে প্রিয়াঙ্কা কর্মকার জয়লাভ করেছেন।

কামাল উদ্দিন হল

ভিপি পদে জয়ী রায়হান কবির। জিএস পদে বিজয়ী হলেন আবরার শাহরিয়ার।

রোকেয়া হল

ভিপি পদে তাফমিম খানম ও জিএস পদে জয়লাভ করেছেন নাবিলা মাহজাবিন।

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল

ভিপি পদে জয়ী রাকিবুল ইসলাম। জিএস পদে আলী আহমেদ জয়লাভ করেছেন।

২১ নং ছাত্র হল

ভিপি পদে শিহাব বিজয়ী। জিএস পদে জয়ী অলি উল্লাহ।

রফিক জব্বার হল

ভিপি হলেন মেহেদী হাসান। রফিক জব্বার হলের জিএস পদে বিজয়ী হলেন শরিফুল ইসলাম জয়।

তাজউদ্দীন আহমেদ হল

ভিপি পদে জয়ী হলেন মো. সিফাত উল্লাহ। জিএস পদে জয়লাভ করলেন মাহমুদুল হাসান সাকিব।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল

ভিপি পদে জয়ী অনিক কুমার বণিক। জিএস পদে বিজয়ী মাহমুদুল হাসান ইমন।

বেগম খালেদা জিয়া হল

ভিপি পদে জয়ী হলেন ফারহানা রহমান। জিএস পদে বিজয়ী হলেন ফাতেমা তুজ জোহরা।

১৩ নং ছাত্রী হল

ভিপি পদে বিজয়ী হলেন মাহদাতুন হাসান। জিএস পদে জয়ী মহসিনা তুবা।

গত ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোটগ্রহণ শেষে হল কেন্দ্রগুলো থেকে ব্যালট বাক্স সিনেট ভবনে আনা হয় এবং ওইদিন রাত ১০টার কিছু পর থেকে ভোট গণনা শুরু হয়। প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর এখন ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। এবারের জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে ছাত্রী ভোটার ৫ হাজার ৭২৮ জন, ছাত্র ভোটার ৬ হাজার ১৫ জন। ভোট পড়েছে প্রায় ৬৮ শতাংশ।

ছাত্রদের হল ও ভোটার সংখ্যা- আল বেরুনী হল ২১০ জন, আ ফ ম কামালউদ্দিন হল ৩৩৩ জন, মীর মশাররফ হোসেন হল ৪৬৪ জন, শহীদ সালাম-বরকত হল ২৯৮ জন, মওলানা ভাসানী হল ৫১৪ জন, ১০ নম্বর ছাত্র হল ৫২২ জন, শহীদ রফিক-জব্বার হল ৬৫০ জন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হল ৩৫০ জন, ২১ নম্বর ছাত্র হল ৭৩৫ জন, জাতীয় কবি নজরুল হল ৯৯২ জন এবং তাজউদ্দীন আহমদ হল ৯৪৭ জন।

ছাত্রীদের হল ও ভোটার সংখ্যা- নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল ২৭৯ জন, জাহানারা ইমাম হল ৩৬৭ জন, প্রীতিলতা হল ৩৯৬ জন, বেগম খালেদা জিয়া হল ৪০৩ জন, সুফিয়া কামাল হল ৪৫৬ জন, ১৩ নম্বর ছাত্রী হল ৫১৯ জন, ১৫ নম্বর ছাত্রী হল ৫৭১ জন, রোকেয়া হল ৯৫৬ জন, ফজিলাতুন্নেছা হল ৭৯৮ জন এবং তারামন বিবি হল ৯৮৩ জন।

জাকসুর ২৫টি পদের বিপরীতে এবার ১৭৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে সহ সভাপতি (ভিপি) পদে ৯ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৮ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

নির্বাচনে মোট ৮টি প্যানেল অংশ নেয়। এর মধ্যে ছাত্রশিবির, ছাত্রদল, বামপন্থি সংগঠন ও স্বতন্ত্রদের সমর্থিত প্যানেল ছিল। ছাত্রদের ১১টি ও ছাত্রীদের ১০টি হলে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সব মিলিয়ে ২১টি ভোট কেন্দ্র এবং ২২৪টি বুথ স্থাপন করা হয়েছিল।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD