সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৪ অপরাহ্ন




বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১১ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১০:০০ pm
Fuel oil Steam locomotive fuel ফার্নেস অয়েল Filing stations Filing station ফিলিং স্টেশন Petrol Octane Pump Price পেট্রোল অকটেন পাম্প Fuel energy জ্বালানি তেল Fuel Oil pump তেল ফিলিং স্টেশন
file pic

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য কূটনৈতিক অগ্রগতি এবং সৌদি আরবের তেল রপ্তানি আংশিক চালুর আশায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমেছে। সোমবার তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে, যা গত ১১ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন।

সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম গত ১০ সেপ্টেম্বরের পর থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়। গ্রিনউইচ মান সময় দুপুর ১২টা ৫৪ মিনিটে নভেম্বরের জন্য নির্ধারিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ ডলার ৬৯ সেন্ট বা ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ১০১ ডলার ১৮ সেন্টে দাঁড়ায়।

এদিকে মঙ্গলবারে মেয়াদ শেষ হতে চলা অক্টোবরের ডব্লিউটিআই চুক্তি অনুযায়ী তেলের দাম ২ ডলার ৬৯ সেন্ট বা ২ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৯৭ ডলার ৬১ সেন্টে নেমেছে। এ ছাড়া নভেম্বরের চুক্তি অনুযায়ী দাম ছিল প্রতি ব্যারেল ৯৩ ডলার ৪৯ সেন্ট।

চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে যোগ দিতে নিউ ইয়র্কে যাওয়ার কথা রয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সঙ্গে বৈঠকের আগ্রহ প্রকাশ করলেও গত রোববার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নতুন করে একে অপরকে হুমকি দিয়েছে।

আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজায়ির বরাত দিয়ে জানা গেছে, পুনরায় আলোচনার জন্য মধ্যস্থতাকারীদের কাছে নিজেদের শর্তগুলো পৌঁছে দিয়েছে তেহরান।

তবে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। ইয়েমেনের ইরানসমর্থিত হুথিরা জানিয়েছেন, তারা রিয়াদ এবং লোহিত সাগরের ইয়ানবু শহরে সৌদি আরামকোর একটি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছেন। পাশাপাশি, সৌদি সমর্থিত বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকা লোহিত সাগরের উপকূলীয় এলাকাগুলোকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তারা।

ইরানীয় তিনটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, সৌদি আরবের অনুরোধের পর বেইজিংয়ের মাধ্যমে হুথিদের সংযত করতে ইরানকে আহ্বান জানিয়েছে চীন।

আরামকোর পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে হুথিদের হামলার কারণে ইয়ানবু বন্দর দিয়ে কিছু চালানের সরবরাহ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় কোম্পানিটি। এর ফলে চলতি ও আগামী মাসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল রপ্তানি বাড়িয়ে দিয়েছে তারা।

জেপিমর্গানের বিশ্লেষকরা গত ১৮ সেপ্টেম্বরের এক নোটে জানান, ‘সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে বিঘ্ন ঘটার পরও মধ্যপ্রাচ্যে তেলের সরবরাহ আশ্চর্যজনকভাবে বেশ শক্তিশালী রয়েছে।’

বিশ্লেষকরা আরও উল্লেখ করেন, ‘সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে।’ উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, গত ছয় দিনে হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২৯ লাখ ব্যারেল সৌদি তেল রপ্তানি হয়েছে, যা আগস্ট মাসে ছিল মাত্র ৭ লাখ ব্যারেল।

এদিকে লিবিয়ার ন্যাশনাল অয়েল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুদ সুলেমান রয়টার্সকে জানান, দেশের শারারা তেলক্ষেত্রের উৎপাদন আংশিক কমেছে, তবে এর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানাননি তিনি।

সূত্র: রয়টার্স




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD