বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৫ অপরাহ্ন




সেন্টমার্টিন ভ্রমণে আসছে নতুন নিয়ম

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬ ১:১৮ pm
Fishing trawler ট্রলার নৌকা বাইচ cox bazar sea beach sent martin launch ticket cabin crew জাহাজ সমুদ্র সৈকত যাত্রী জলযান সাগর Bay of Bengal Cheradip বঙ্গোপসাগর fishing catch fish Boat ship ark skiff davit craft smack yawl scow vessel জাহাজ তরণী সিন্দুক নৌকা জেলে নৌকা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জালিয়া খাল বিল নদী নালা cox bazar sea beach sent martin launch ticket cabin crew জাহাজ সমুদ্র সৈকত যাত্রী জলযান সাগর Bay of Bengal Cheradip বঙ্গোপসাগর বঙ্গোপসাগর trawler জাহাজ bandarban পর্যটন বান্দরবান tourism and recreation venues resorts ship china war launch sea চীন যুদ্ধ জাহাজ সমুদ্র fishing catch fish Boat ship ark skiff davit craft smack yawl scow vessel জাহাজ তরণী সিন্দুক নৌকা জেলে নৌকা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল জালিয়া খাল বিল নদী নালা Bangla Channel বাংলা চ্যানেল সাঁতার সেন্টমার্টিন টেকনাফ শাহপরী দ্বীপ
file pic

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপে পর্যটকদের যাতায়াত ও ভ্রমণ সংক্রান্ত যে বিধি-নিষেধ জারি করা হয়েছিল বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে আমলে, তাতে বেশ কিছু পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে বর্তমান সরকার। সেক্ষেত্রে পর্যটকদের রাত্রিযাপন ও ভ্রমণের সময়সীমায় পরিবর্তন আসতে পারে বলেও ধারণা মিলছে।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দা, পরিবেশবিদ, পর্যটন সংশ্লিষ্টসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়। খবর বিবিসির।

পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, একদিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়, একই সঙ্গে সেখানকার জীবন-জীবিকার বিষয়গুলোও যেন নিশ্চিত করা যায় সে অনুযায়ী আমরা একটা গাইডলাইন তৈরি করব।

এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় দ্বীপটিতে পর্যটকদের ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা জারি করেছিল বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

দ্বীপটির বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিরা জানান, ওই বিধি-নিষেধের ফলে দ্বীপটিতে গত এক বছরে পর্যটন ব্যবসায় যেমন নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, আবার জীবিকার জন্য গাছ কেটে ফেলা বা অবাধে মাছ ধরার মতো বিরূপ তৎপরতাও দেখা গেছে কিছু বাসিন্দার মধ্যে।

যে কারণে, সেখানকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা দ্রুতই বর্তমান সরকারের কাছে এ বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এখনই অন্তর্বর্তী সরকারের সময় যে সব বিধি-নিষেধ জারি করা হয়েছিল তার মধ্যে যেগুলো যৌক্তিক সেগুলো বহাল রাখা হতে পারে।

ভ্রমণের সময়সীমা কি বাড়বে?

অন্তর্বর্তী সরকারের ওই ১২ দফা নির্দেশনা অনুযায়ী, শুধু ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে সেন্টমার্টিনে রাত কাটানোর সুযোগ রাখা হয়েছিল, তবে কতজন পর্যটক গিয়ে রাত্রি যাপন করতে পারবেন সেই সংখ্যাও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল।

দিনে কেবল দুই হাজার পর্যটকের রাত্রি যাপনের অনুমতি ছিল। ওই নিষেধাজ্ঞার কারণে এখনো সেন্টমার্টিনে নির্দিষ্ট সংখ্যক পর্যটকের বেশি ভ্রমণ করার সুযোগ নেই।

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের নীতিমালা রয়েছে সেখানে ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে শুধু দুই হাজার পর্যটক গিয়ে রাত্রি যাপন করতে পারবেন। যারা যাবেন তাদেরকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এই পাশ দেওয়া হয়। যেহেতু বিধি নিষেধে এখনো কোনো পরিবর্তন হয়নি, ওই সংখ্যার বাইরে কোনো পর্যটক সেখানে যেতে পারবেন না এবং অবস্থান করতে পারবেন না।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানান, এখানে দীর্ঘদিন ধরে এ পর্যটন শিল্প গড়ে উঠেছিল। হঠাৎ করে এমন নিষেধাজ্ঞার কারণে টুরিস্ট ব্যবসায় বেশ প্রভাব পড়েছে। এটি নিয়ে আমরা আমাদের অভিযোগগুলো পরিবেশ মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি।

তবে, বর্তমান সরকার পর্যটকের সংখ্যা কিংবা ভ্রমণের সময়সীমা আরও বাড়াবে কিনা সেই বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, সেখানে কোন মাস থেকে কোন মাস পর্যন্ত যাওয়া যাবে, কতজন পর্যটক গিয়ে রাত্রিযাপন করতে পারবে, সেখানকার ব্যবসায়ীরা কী চাচ্ছেন, পরিবেশের কতটুকু সীমাবদ্ধতা আছে তার সবই আমরা তাদের কাছ থেকে জানব। এ নিয়ে শুনানি বা বৈঠক হবে, সেই বৈঠকে তাদের বক্তব্যসহ সব পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে একটা গাইডলাইন দেওয়া হবে। যেখানে পরিবেশ যেন রক্ষা হয়, এবং ওখানে যারা বসবাস করে তাদের স্বার্থও যেনো রক্ষা হয় সেই বিষয়গুলো আমরা দেখব।

সেন্টমার্টিন দ্বীপের ব্যবসায়ী ও সেখানকার জনপ্রতিনিধিরা বলেন, এর আগে অক্টোবর থেকে মার্চ এই ছয় মাস দ্বীপটিতে ভ্রমণের সুযোগ ছিল। বিগত সরকার নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত ভ্রমণের জন্য যে নির্দিষ্ট সময় সীমা করছে সেটিতে তারা পরিবর্তন চান।

সেক্ষেত্রে অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত যেন এই ভ্রমণের সুযোগ রাখা হয়, সে কথাও বলছেন তারা।

যদিও তাদের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পরিবেশবিদদের কেউ কেউ। পরিবেশবিদ মো. শামসুদ্দোহা বলেন, সেন্টমার্টিনের পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষা করতে হলে এটার ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখা দরকার। একটা নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া দরকার। সেটা কোনোভাবেই তিন মাসের বেশি নয়। যুগান্তর




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD