সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৪ অপরাহ্ন




তুরস্কের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে গুরুত্বারোপ বাংলাদেশের

আউটলুক বাংলা রিপোর্ট
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬ ৪:৪৪ pm
Dhaka-Ankara Dhaka Ankara Turkey President Recep Tayyip Erdoğan তুর্কি ইস্তাম্বুল তুরস্ক প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ তাইয়িপ এরদোয়ান এরদোগান Turkey তুরস্ক
file pic

তুরস্কের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা দ্রুত এগিয়ে নেয়ার পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। একই সঙ্গে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি বিপজ্জনক শিল্পবর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তুরস্কের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকায় শিল্প মন্ত্রণালয়ে তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিজ সেনের সঙ্গে বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন মন্ত্রী। বৈঠকে এফটিএ, ফল আমদানিতে ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণসহ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিভিন্ন দিক উঠে আসে।

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনা শুরুর অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন মন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত। এ সময় আসন্ন তুরস্ক সফরে দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার আগ্রহ প্রকাশ করেন খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। পাশাপাশি তুরস্কের বিনিয়োগ সংস্থার সঙ্গেও সাক্ষাতের আগ্রহ জানান তিনি। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

তুরস্ক থেকে ফল আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে দেশটির রপ্তানিকারকদের যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়। এ জন্য তুরস্কের ফলমূল রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচিতি ও যোগাযোগের তথ্য চেয়েছে বাংলাদেশ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এসব তথ্য দেশের সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা করা হয়।

ইলেকট্রনিকস ও জাহাজ ভাঙা শিল্প থেকে উৎপন্ন বিপজ্জনক বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। এসব বর্জ্য পরিশোধন, সংরক্ষণ ও নিরাপদে নিষ্পত্তির জন্য তুরস্কে ব্যবহৃত বিশেষায়িত স্থাপনা বা টিএসডিএফ–সংক্রান্ত সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

চামড়া শিল্পের বিষয়টিও বৈঠকে উঠে আসে। তুরস্কের রাষ্ট্রদূত জানান, পরিবেশগত কারণে তার দেশে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ট্যানারি কার্যক্রম কমে গেছে। বিপরীতে সিন্থেটিক চামড়ার ব্যবহার এবং কাঁচামাল আমদানির প্রবণতা বেড়েছে।

এদিকে কমসেকের অধীনে অনুষ্ঠেয় আসন্ন মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে বাংলাদেশকে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তুরস্কের রাষ্ট্রদূত। একই সঙ্গে ওয়ার্ল্ড হালাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সামিট ও হালাল এক্সপোতেও বাংলাদেশকে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কমসেকের মূল সম্মেলনে বাণিজ্যমন্ত্রী অংশ নেবেন। পরবর্তী সম্মেলনে বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

বৈঠকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, তুরস্ক দূতাবাসের ইকোনমিক কাউন্সেলর এবং বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




আরো






© All rights reserved © outlookbangla

Developer Design Host BD