এসএসসি পরীক্ষায় শতভাগ পাশ। জিপিএ-৫-এর ছড়াছড়ি। প্রতিবছর ফল প্রকাশের পর নামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর এমন সাফল্য নিয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের মধ্যে তৈরি হয় ব্যাপক আগ্রহ। ভালো ফলাফলের কারণে এসব প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য শুরু হয়
রাষ্ট্রবিরোধী গোপন তৎপরতায় জড়িত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৯২ শিক্ষকের বিষয়ে খতিয়ে দেখতে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে করণীয় নির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেয়ার জন্যে
দেশের এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের দায়িত্ব শেষ পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) কাছেই থাকছে। সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি বা গভর্নিং বডি শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারবে না।
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন শুরু হচ্ছে আজ থেকে। আবেদন করা যাবে আগামী ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। এ জন্য কোনো ম্যানুয়াল বা সরাসরি লিখিত আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
বেসরকারি স্কুল-কলেজে প্রবেশপর্যায়ে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির হাতেই দিচ্ছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ফলে এখন থেকে আর শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করতে পারবে না বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)।
এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় দেশের ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। সবচেয়ে বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে। ফলাফল অনুযায়ী, ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের ৫৭টি, মাদ্রাসা
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১০টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফল প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে আগামীকাল সোমবার সকাল ১০টায়। শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং এসএমএসের মাধ্যমে একযোগে ফল জানা যাবে। পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে
দীর্ঘদিন ধরে অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ট্রাস্টের পাওনা না পাওয়া এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য অবশেষে অর্থ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ আগস্ট দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে অবসর সুবিধা
চব্বিশের জুলাই বিপ্লবের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর দমন-পীড়নে পতিত আওয়ামী সরকারের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনেক শিক্ষক-কর্মকর্তা। নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়া ফ্যাসিবাদের সহযোগী